কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক ঘটনায় শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (৩ নভেম্বর) সকালে চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুচ্ছালিয়া পাড়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে মোহাম্মদ তৈয়ব (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। মোহাম্মদ তৈয়ব একই এলাকার সাহাব মিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে।
তৈয়বের বড় ভাই মিলন বলেন, রোববার সকালের দিকে বসতভিটা লাগোয়া ইটের তৈরি নির্মিত দোকানঘরে মটরের পাইপ দিয়ে পানি দিচ্ছিল। ওই সময় মাথার দুই ফুট উঁচুতে থাকা পল্লীবিদ্যুৎ লাইনের তারের সাথে আকস্মিক শক লাগলে মাটিতে পড়ে যান তৈয়ব। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ভেজা শরীরে পানি দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৈয়বকে মৃত ঘোষণা করেন।
চকরিয়া থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে সকাল ১১ টায় চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এস কে পাড়ায় বালতির পানিতে ডুবে দেড় বছর বয়সি এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চকরিয়া থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া। মৃত শিশু আরশ (১৬) ওই এলাকার আনোয়ারুল আজিম আনারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে মনজুর কাদের বলেন, সকালের দিকে শিশু আরশ বাড়ির উঠানে খেলা করেছিল। এসময় তার মা বাড়ির ভেতরে রান্নাঘরে কাজে ব্যস্ত থাকায় পরিবারের অগোচরে শিশু আরশ বালতির পানিতে ডুবে আটকে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ ধরে শিশু আরশ ঘরের ভেতরে না ফেরায় তার মা খোজাখোজি করেন। এক পর্যায়ে বাড়ীর উঠানে থাকা পানির বালতির ভেতরে তাকে দেখতে পান।
পরে শিশু আরশকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি। তিনি জানান, মারা যাওয়া শিশুর বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।








