জনপদ

শেরপুরে চিড়িয়াখানা থেকে ৭ প্রজাতির ১৭ বন্যপ্রাণী জব্দ

শেরপুরে চিড়িয়াখানা থেকে উদ্ধার করা ৭ প্রজাতির ১৭ বন্যপ্রাণী জব্দ. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

একজন ব্যক্তি একটি সাপ ধরে আছেন, অন্যরা পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, ঘটনাস্থল শেরপুরের চিড়িয়াখানা থেকে বন্যপ্রাণী জব্দের অংশ।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ বিনোদন কেন্দ্রের মিনি চিড়িয়াখানা থেকে হরিণ, বানর, অজগর সাপ, গন্ধগোকুল, শিয়ালসহ সাত প্রজাতির ১৭টি বন্যপ্রাণী জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে এসব বন্যপ্রাণী জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা থেকে আগত বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট-এর বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা।

তাকে সহায়তা করেন বন বিভাগের র‍্যাপিড রেসপন্স টিমের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকরা। এসময় শেরপুর বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যালয়, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন অফিস এবং স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ এর ৬(১) ধারা মোতাবেক লাইসেন্স গ্রহণ সাপেক্ষে হরিণ ও হাতি লালন-পালনের বিধান থাকলেও, ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দেশীয় বন্যপ্রাণী লালন-পালনের সুযোগ নেই।

তারই আলোকে গজনী অবকাশ কেন্দ্রের মিনি চিড়িয়াখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং সাত প্রজাতির ১৭টি বন্যপ্রাণী জব্দ করা হয়। গজনী অবকাশ কেন্দ্রের মিনি চিড়িয়াখানাটির বন্যপ্রাণী লালন-পালনের কোনো ধরনের লাইসেন্স নেই। এটি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের গজনী অবকাশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মিনি চিড়িয়াখানাটি ফরিদ আহমেদ নামের একজন ইজারাদার পরিচালনা করে আসছিলেন।

বিষয়:চিড়িয়াখানা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…