পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধা অঞ্চলে ঘন কুয়াশার কারণে একটি মিনি-ট্রাক খালে পড়ে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কোট মোমিন শহর এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তার দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে যাত্রীবাহী মিনি-ট্রাকটি ঘালাপুর বাংলা নামের একটি খালে পড়ে যায়। খালটি শুষ্ক ছিল বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা।
রেসকিউ ১১২২ জানায়, দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটিতে মোট ২৩ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে সাতজন গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায় এবং নিহত ও আহতদের নিকটবর্তী টিএইচকিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে ছয় শিশু ও পাঁচজন নারী রয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা চলছে। নিহত ও আহত যাত্রীরা একটি জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পুরো পাঞ্জাব প্রদেশজুড়ে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে, যার ফলে সড়কে দৃশ্যমানতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, শীতকালে ভোর ও রাতে কুয়াশার কারণে গাড়ি চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে চালকদের গতি কমিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতেও ঘন কুয়াশার কারণে ডেরা ইসমাইল খান এলাকায় আরেকটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। সিন্ধু মহাসড়কের তৌনসা শরীফ সীমান্তের বস্তি দাওয়ানার কাছে চিনি বোঝাই একটি ট্রেলার ও যাত্রীবাহী ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হন।
খবর অনুযায়ী, ট্রেলারটি রহিম ইয়ার খান থেকে কোহাট যাচ্ছিল এবং যাত্রীবাহী ভ্যানটি রাম্মাক থেকে মুলতান যাচ্ছিল। রাস্তার পাশে আখ বোঝাই একটি ট্র্যাক্টর-ট্রলি দাঁড়িয়ে ছিল। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে ট্রেলারটি ট্র্যাক্টর-ট্রলিকে অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়, ফলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।







