গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জিএসটিইউ) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স পর্যায়ের ১১ শিক্ষার্থীর থিসিস ডিফেন্স সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ৩০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষ-৫০১-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণার উদ্দেশ্য, পদ্ধতি, ফলাফল এবং নীতিনির্ধারণে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষকরা গবেষণার বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করেন এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ রবিউল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. হাসিবুর রহমান। বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদ হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। এছাড়া থিসিস মূল্যায়ন ও পরীক্ষা কমিটির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ছায়েদা মাহমুদা এবং সদস্য সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশীদ, সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন ও সহকারী অধ্যাপক আইরিন পারভীন শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র মূল্যায়ন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম এবং খণ্ডকালীন প্রভাষক মো. নোমান আমিন।
ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, থিসিস শুধু একাডেমিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, একজন শিক্ষার্থীর গবেষক হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রথম ধাপ। এই গবেষণা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তব সামাজিক সমস্যা বিশ্লেষণ, প্রমাণভিত্তিক জ্ঞান সৃষ্টি এবং নীতিনির্ধারণে অবদান রাখার সক্ষমতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের জন্য মানসম্পন্ন গবেষণা করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দেয়, সেটিই বিভাগের প্রত্যাশা।
থিসিস ডিফেন্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, পুরো গবেষণা প্রক্রিয়া তাদের জন্য ছিল শেখার গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং গবেষণাপত্র প্রস্তুতের মাধ্যমে তারা গবেষণার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ডিফেন্সে শিক্ষকদের গঠনমূলক মতামত তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
অনুষ্ঠান শেষে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিক তত্ত্বাবধান, দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার কারণেই গবেষণা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।








