উয়েফা নেশনস লিগে সেমিফাইনালে নাটকীয় এক ম্যাচ হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে। ৯ গোলের ম্যাচে বিধ্বস্ত হয়েছে ফ্রান্স। কৈশোর না পেরোনো লামিন ইয়ামালের জোড়া গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
শিরোপামঞ্চে স্পেনের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখে জার্মানিকে হারিয়ে আগে ফাইনাল নিশ্চিত করা রোনালদোর পর্তুগাল। ম্যাচসেরা হয়েছেন লামিন ইয়ামাল। অভিষেক ম্যাচে নেমে গোল পেয়েছেন ফ্রান্সের রায়ান সেকরি।
জার্মানির স্টুটগার্টের এমএইচপি অ্যারেনায় প্রথম এক ঘণ্টা ছিল স্পেনের। ৪-০ গোলে এগিয়ে থাকা লুইস ডে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা শেষপর্যন্ত ম্যাচ শেষ করেছে ৫-৪ ব্যবধানে জিতে। শেষ ৩৪ মিনিটে ৪ গোল করেছে ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধে দুদল করেছে মোট ৭ গোল।
প্রথমার্ধে ২২ মিনিটে প্রথম গোলের শুরু করেন স্পেনের নিকো উইলিয়ামস। ২৫ মিনিটে গোলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মিকেল মেরিনো। ফ্রান্স কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্পেন কিপার উনাই সিমোনের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
বিরতি থেকে ফিরে ঝলক দেখান ১৭ বর্ষী ইয়ামাল। ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের প্রথম গোল করেন তরুণ তারকা। ৬৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও স্পেনের শেষ তথা পঞ্চম গোলটি করেন ইয়ামাল। ছয় ম্যাচে এটি আসরে তার তৃতীয় গোল। তার আগে ৫৫ মিনিটে স্পেনের চতুর্থ গোলটি করেন পেদ্রি।
ফ্রান্সের সমর্থকরা তখন হয়ত ধরে নিয়েছিল ম্যাচ শেষ। তবে চমকের শুরু তখনই, ৫৯ মিনিটে ফরাসি অধিনায়ক কাইলিয়ান এমবাপকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে গোল করেন এমবাপে। বদলি হিসেবে নেমে ৭৯ মিনিটে অভিষেক গোল পেয়ে যান সেরকি।
ফ্রান্সের বারবার আক্রমণের মুখে ৮৪ মিনিটে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে ফেলেন স্পেনের ড্যানি ভিভিয়ান। গোলব্যবধান তখন ৫-৩ এ দাঁড়ায়। এরপর যোগাযোগ করা অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে আরেকটি গোল করেন কলু মোয়ানি। ওই ব্যবধান ফ্রান্সের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়, ৫-৪ গোলে জেতে স্পেন।







