‘দৃঢ়কল্প ভারত, শক্তিশালী ভারত’ – শিরোনামে জাতীয় নির্বাচনে ইশতেহার প্রকাশ করেছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ‘সংকল্প পত্র’-তে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিসহ নানা আশ্বাস রাখা হয়েছে।
ভারতের জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেসের ইশতেহার প্রকাশের পর সবার চোখ ছিল বিজেপি’র ইশতেহারের দিকে। ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সোমবার উপস্থিত ছিলেন পার্টি সভাপতি অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজসহ সিনিয়র বিজেপি নেতারা।
ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে ৭৫টি প্রতিজ্ঞা স্থান পেয়েছে ‘সংকল্প পত্র’-তে। ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকের আয় দ্বিগুণ করা ও তাদের জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় গেলে রাম মন্দির পুননির্মাণেরও ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
৭ ধাপের জাতীয় নির্বাচনের প্রচারকে ৩ ভাগে ভাগ করেছে বিজেপি। প্রথম ভাগের শিরোনাম: ‘কাজ করে দেখানো সরকার’, দ্বিতীয় ভাগ: ‘ঈমানদার সরকার’ এবং তৃতীয় ভাগের শিরোনাম: ‘বড় সিদ্ধান্ত নেয়া সরকার’।
বলিউড তারকা থেকে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রার্থী বনে যাওয়া অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকারের বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মবলম্বীদের আঘাত দিয়ে কথা বলার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঊর্মিলা বলেছেন, তিনি শুধু অহিংস ধর্ম পালনকে উৎসাহিত করেছেন।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারের মধ্যেই মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথসহ বেশ ক’জন কংগ্রেস নেতার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে আয়কর বিভাগ। একে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের অভিযোগ, এসব অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রচারকাজকে বাধাগ্রস্ত করছে।







