আর্টিকেল ৫০ (ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিল) প্রত্যাহার চেয়ে লাখ লাখ মানুষের আবেদনের চাপে ডাউন হয়ে গেছে যুক্তরাজ্য সরকারের আবেদন গ্রহণের সার্ভার।
এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে হাজার হাজার মানুষ আবেদন করছেন বলে গার্ডিয়ান জানিয়েছে। ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন না দেয়ায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে এমপিদের সমালোচনা করেছেন। এরপরই বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়েছে এই আবেদন প্রক্রিয়া।
বৃহস্পতিবার সকালে সার্ভার ডাউনের আগ পর্যন্ত আবেদনপত্রে ৬ লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। এবং প্রতি মিনিটে যোগ হচ্ছিলেন নতুন করে দেড় হাজার আবেদনকারী।
সকাল ৯টার দিকে যুক্তরাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটের আবেদন গ্রহণ পেজে একটি বার্তা ভেসে ওঠে। এতে লেখা আছে ‘‘রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সার্ভার ডাউন রয়েছে’’। এতে আরো লেখা আছে, আমরা বিষয়টি জানি এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। অনুগ্রহ করে পরে চেষ্টা করুন।
এরপর ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে সার্ভার স্বাভাবিক হয়। কিন্তু অল্প কিছুক্ষণ পর আবারো ডাউন হয়।
হাউজ অব কমন্সের একজন মুখপাত্র বলেন, আবেদন গ্রহণ সাইট যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হচ্ছে এবং এটি দ্রুত পুনরায় চালু করতে আমরা কাজ করছি।
আর্টিকেল ৫০ প্রত্যাহার এবং ইইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকতে এই আবেদন শুরু হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার বার বার অভিযোগ করছে ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়া হচ্ছে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।
কিন্তু ইইউ’তে থাকতে চাওয়া জনগণের সমর্থন শক্তিশালী করে আমরা এই অভিযোগ বন্ধ করতে চাই। একজন মানুষের ভোটও বাদ পড়বে না, সুতরাং এখনই ভোট করুন।
২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া বা ব্রেক্সিট নিয়ে গণভোটের রায় অনুযায়ী, ২০১৯’র ২৯ মার্চের পর যুক্তরাজ্যের আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য থাকার কথা নয়। এ বিষয়ে খসড়া ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে পার্লামেন্টে দুই দফা বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মে।
তৃতীয় দফা ভোটের পরিকল্পনা করে তাতেও ব্যর্থ হয়ে টেরেসা মে সময় চান ইইউ’র কাছে।
আগামী সপ্তাহে আবারও চুক্তিটি নিয়ে ভোটাভুটির কথা রয়েছে।







