ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৫ম ধাপেও অধিকাংশ ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ৭১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৪০৪টিতে। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ৭২টি এবং অন্যান্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১৭৪টি ইউনিয়নে। নির্বাচনী সহিংসতায় দেশজুড়ে ৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।
দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মতো ইউপি নির্বাচনের ৫ম ধাপেও আওয়ামী লীগের জয়জয়কার। চট্টগ্রামে ৪৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৪টিতেই বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। ৯টিতে বিএনপি ও অন্যগুলিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
কক্সবাজারে আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুটি করে ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছে। কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের একচেটিয়া জয় হয়েছে। এ জেলায় ২৩ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে। চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীতেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরাই পাল্লায় ভারী।
খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় ১টি ও ঝিনাইদহে ২টিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বাকীগুলো আওয়ামী লীগ ও অন্য প্রার্থীদের। যশোরে একচেটিয়া জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। নরাইলে ৭টিতে বিএনপি ও ৪টিতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে।
ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, টাঙ্গাইল, ধামরাই, নারায়নগঞ্জ, নেত্রকোণা, নরসিংদী, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর ও ময়মনসিংহ জেলার বেশীর ভাগ ইউনিয়ন পরিষদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। কুড়িগ্রামে ২টিতে আওয়ামী লীগ, ৪টিতে বিএনপি ও অন্যান্য ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
গাইবান্ধায় ৩টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, একটিতে বিএনপি ও বাকীগুলোতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ঠাকুরগাঁওয়ে ১টি বাদে বাকিগুলোতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। দিনাজপুরে কয়েকটি ইউপিতে বিএনপি বিজয়ী হলেও বেশীভাগেই জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা।
রংপুর ও জয়পুরহাটের একটি ইউপিতেও বিএনপি জয় পায়নি। নওগাঁ, নাটোর, পাবনার বেশীর ভাগ ইউপিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
বগুড়ায় ১১টি আওয়ামী লীগ, ৫টি বিএনপি ও ২টিতে ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। সিলেট বিভাগের ৪ জেলাতেও বেশির ভাগ ইউনিয়ন পরিষদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থাীরা।









