টানা ২৩ বলে রান নিতে পারলেন না ব্যাটসম্যানরা। খুবই স্বাভাবিক! যদি বলে দেয়া হয় ওই ২৩ বল করছেন একজন বোলারই, তখন খানিকটা নড়েচড়ে বসতেই হয়! বোলারটির নাম মোস্তাফিজুর রহমান। আর ২৩ বলের প্রথম ১৮টি খেলে রান নিতে পারেননি সিকান্দার রাজা। বাকি ৫টি বল ডট দিতে বাধ্য হওয়ার পর স্কোরবোর্ড নড়ান পিটার মুর।
মঙ্গলবার শের-ই-বাংলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ২১৬ রানের সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। স্বল্পপুঁজির ভরসায় জয় তুলে নিতে প্রতিপক্ষকে যথাসম্ভব চাপে রাখতে হত। সাকিব-মাশরাফী মিলে দ্রুত ৪ উইকেট তুলে নিয়ে সেটা করেছেনও, বাকি কাজটা এগিয়ে নেন মোস্তাফিজুর রহমান।
বাঁহাতি পেসার প্রতিপক্ষের রানের চাকা আটকে হাঁসফাঁস অবস্থা তৈরি করেন। যেটা থেকে বেরোতে অন্য বোলারদের হাত খুলে মারতে যেয়ে উইকেট দিতে বাধ্য হয় জিম্বাবুয়ে।
এদিন ম্যাচের ১৪তম ওভারে বল হাতে পান ফিজ। ব্যাটিংপ্রান্তে তখন সিকান্দার রাজা। ওই ওভার মেডেন তোলেন কাটার মাস্টার। রাজাকে ভুগিয়েছেন নিজের দ্বিতীয় ওভারেও, ম্যাচের ১৬তম ওভার মেডেন আদায় করেন ফিজ। ব্যাটিংপ্রান্তে ওই রাজাই।
পরে ১৮তম ওভারেও রাজাকে পান ফিজ, তুলে নেন মেডেন। আর নিজের চতুর্থ ও ম্যাচের ২০তম ওভারে রান না দেয়ার কাজটা প্রায় করেই ফেলেছিলেন তিনি। পাঁচটি বল ডট করে ফেলেন। কিন্তু ওই ওভারের শেষ বলটি ব্যাটসম্যান পিটার মুর লংঅনে ঠেলে দিয়ে একরান নিয়ে ফেললে ফিজের কিপটেমি-যাত্রা থামে।
থামে ৪ ওভার ৩ মেডেন এক রানে শূন্য উইকেটের স্পেল। ৪-৩-১-০; স্পেলটা তাই মোস্তাফিজের।
মোস্তাফিজ পরে আবার বল হাতে পান জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেট পড়ে গেলে। শেষপর্যন্ত ৬.৩ ওভারে ৩ মেডেনসহ ১৬ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়ে শেষ হয় তার দিন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন কিপটেমি অবশ্য বিরল নয়। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাডিলেড ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের পেসার জেমস অ্যান্ডারসন টানা পাঁচ ওভার মেডেন আদায় করেছিলেন।








