কক্সবাজারের উখিয়া থেকে ১৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে নৌবাহিনীর ৭ টি জাহাজে করে ৩৯০ পরিবারের ১৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভাসানচরে। ভাসানচরে পৌঁছে ভালো থাকার ঘর পেয়ে খুশি রোহিঙ্গারা।
শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে ভাসানচরে জাহাজগুলো পৌঁছার কথা জানিয়েছন নৌ বাহিনীর কর্মকর্তারা।
ভাসানচর থেকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন জানান, বৃহস্পতিবার উখিয়া কলেজ মাঠ ট্রানজিট থেকে ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের বাসে করে চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে এসব রোহিঙ্গাদের নৌবাহিনীর ৭ টি জাহাজে করে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয়। ৩৯০ পরিবারের ১৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে যাবার আগেই ভাসানচরে কর্মকর্তাসহ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সদস্যরা অবস্থান করছেন বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত আর আর আর সি ।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে যাওয়া এসব রোহিঙ্গাদেরকে থেকে রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হবে। তারা সেখানে পৌঁছার আগেই তাদের জন্য দুপুরের খাবার প্রস্তুত করা হয়। সেখানে পৌছার সাথে সাথে খাবার সরবরাহ করা হয়। যতদিন তারা সেখানে স্বাভাবিকভাবে রান্নাবান্না শুরু করতে না পারবে ততদিন তাদেরকে রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গা রফিকুল ইসলাম, ফরিদুল আলম, কুলসুম বেগম ও আমিনা খাতুন জানান, তারা নিজের ইচ্ছায় ভাসানচরে এসেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে অভ্যন্তরীন মারামারি ও ঝামেলার মধ্যে তারা থাকতে অস্বস্তি বোধ করছে। তাই তারা সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য ভাসানচরে এসছে বলে জানান।
রোহিঙ্গা নারী মরিয়ম খাতুন বলেন, এখানে এসে এখান পরিবেশ দেখে অনেক ভালো লাগছে। আমরা আসার আগে আমাদের জন্য সব কিছু প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। সন্ধ্যার আগেই নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ করে বাসাটি গুছিয়ে নিলাম। সন্ধ্যায়ও আমাদেরকে রাতের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন বলেন, প্রাথম দলে আসা ১৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে বসবাস স্বাভাবিক করার পর পরবর্তী গ্রুপ নিয়ে যাওয়া হবে।








