দেশের ৪৪ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের তৈরি পোশাক খাতকে ১৫ থেকে ২০ জন লোক অস্থির করে তুলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ’র কনফারেন্স রুমে সদ্য বিদায়ী মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হককে দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ অভিযোগে করেন তিনি।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, পোশাক শিল্প এমন একটা খাত যেখানে শুধু ৪৪ লাখ শ্রমিকই কাজ করে না, তার বাইরেও অনেকেই জড়িয়ে রয়েছে এর সাথে। এটি অর্থনীতির বড় চালিকা শক্তি। মোট রপ্তানি আয়ের ৮২ শতাংশ আসে এ খাত থেকে। এই যেমন, এ খাতের শ্রমিকরা একটা করে কলা কিনলেও দৈনিক ৪৪ লাখ কলা বিক্রি হয়। এটাও অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে।
‘কিন্তু দুঃখের বিষয় কোন কোন মহল যখন উস্কানি দিয়ে পোশাক খাতকে অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দেয় তখন বহির্বিশ্বে সুনাম নষ্ট হয়।’
শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মুষ্টিমেয় ১৫ থেকে ২০ জন লোক সব সময় এ খাতকে অস্থিরতার দিকে নিয়ে যেতে চায়। আমরা আর তাদের কথায় চলবো না। তাদের কাছে মাথানত করে ব্যবসা করবো না। মালিকেরা বিজিএমইএ’র কথা শুনে। শ্রমিকদেরকে শুনতে হবে। মালিকেরা শ্রম আইন মেনে ব্যবসা করে। শ্রমিকদেরও শ্রম আইন মানতে হবে।
ঢাকা শহরের যানজট সবার মধ্যে মানসিক অস্থিরতা ও রোগের সৃষ্টি করেছে মন্তব্য করে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যানজট সৃষ্টির জন্য আমরা জনগণও দায়ী। এই যানজটে বছরে দেশের ১ লাখ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। সবাই মিলে সহযোগিতা না করলে যানজট মোকাবেলা সম্ভব নয়।
মাদক ব্যবসা নির্মূলের অনুরোধ জানিয়ে এই শিল্পোদ্যোক্তা বলেন, মাদক দেশের জন্য খুবই ভয়ংকর বিষয়। ভারতের সাথে সংযুক্ত কয়েকটি এলাকা ও কক্সবাজার হয়ে দেশে মাদক প্রবেশ করে। এসব এলাকায় শক্ত নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরী।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান খান, সহসভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।








