দেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা ১১শতাংশ থেকে বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তাদের ভূমিকা আরো বেশি হওয়া সম্ভব। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি পর্যায়ে ১২ জন এবং দুটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে সিটি ব্যাংকের সিটি ফাউন্ডেশন।
নিজস্ব ডিজাইনে করা ঘর ২০ হাজার টাকা লাভে বিক্রি করে ব্যবসার স্বাদ পেয়েছিলেন মুন্সিগঞ্জের রুমা খাতুন। লবণাক্ত পানি এলাকায় মাছ চাষ শুরু করেছিলেন সাতক্ষীরার সায়মা খাতুন তা সফলতার পথ দেখিয়েছে তাকে। তাদের ব্যবসা ছাড়িয়েছে কোটি টাকা।
ছোট পরিসরের ব্যবসা শুরু করে যারা সফল হয়েছেন তাদেরকে বাছাই করে পুরস্কার দিয়েছে সিটি ফাউন্ডেশন।
শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসাবে নওগাঁর জিল্লুর রহমান, শ্রেষ্ঠ নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা মুন্সিগঞ্জ সদরের রুমা খাতুন, শ্রেষ্ঠ তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সাভারের রুবেল দেওয়ান ও শ্রেষ্ঠ নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার পুরস্কার পেয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সায়মা খাতুন ।
এসময় পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, জিডিপিতে এসএমই খাতের ভূমিকা অষ্ট্রেলিয়ায় ৫৫ শতাংশ, সাউথ কোরিয়ায় ৪৭, ভিয়েতনামে ৩৬, থাইল্যান্ডে ৩০, ভারতে ১৭ আর বাংলাদেশে ১১ শতাংশ।
সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার বিজয়ীরা হলেন, ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগ থেকে নওগাঁর মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, মো.সাইদুজ্জামান সরকার, বগুড়া, মো আজিজুল হক সিকদার, বরগুনা।
‘শ্রেষ্ঠ নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’হিসেবে মো. রুমা আক্তার, মুন্সিগঞ্জ, ফজিলাতুন নেছা, ঢাকা, রুবামা শারমিন, চট্টগ্রাম। এছাড়াও‘শ্রেষ্ঠ তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’হিসেবে মো. রুবেল দেওয়ান, সাভার, মোছা. রহিমা খাতুন (মুক্তা), গাইবান্ধা, মো. তাইফুর রহমান রাজু, পাবনা।
‘শ্রেষ্ঠ কৃষি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ বিভাগ থেকে সায়মা খাতুন, সাতক্ষীরা, মো. আলতাফ হোসেন , দিনাজপুর, মো. নুরুল আমিন সরদার, শরীয়তপুর।
প্রথমবারের মতো চালু হওয়া শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে পিপলস্ ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন ‘পপি’ এবং শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে সিটি ব্যাংকের এ পুরস্কার পেয়েছে ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার ‘ভার্ক’।
আরও দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








