ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি সার্ভিসটি ১১ দিনেও চালু হয়নি। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনসহ ব্যবসায়িক নানা কাজে দক্ষিণ অঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি সার্ভিস।
এ রুট দিয়েই দক্ষিণাঞ্চলের সাথে ভোলা হয়ে চট্টগ্রামের ১৬ জেলার যোগাযোগ।
গত ২৫ জুলাই মেঘনার ভাঙ্গনে ভোলা ইলিশা পয়েন্ট দিয়ে সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিকরা।
যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা জানান, ফেরি বন্ধ থাকায় দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে বরিশাল হয়ে যেতে হচ্ছে। আগে ৮-৯ হাজার টাকায় সরাসরি চট্টগ্রাম যাওয়া যেতো। বর্তমানে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম যেতে হচ্ছে। এতে খরচ হচ্ছে ২০-২২ টাকা। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বেড়ে গেছে দ্রব্যমূল্য।
ভোলা-লক্ষীপুর ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ার ২ দিন পরে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান পরিদর্শনে গিয়ে দ্রুত ফেরিঘাট স্থানান্তর করে ৭ দিনের মধ্যে ফেরি চালুর আশ্বাস দেন ।
তবে ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি ফেরি।
বরিশাল বিআইডব্লিটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ কবির জানান, নতুন ফেরিঘাটের কাজ পুরোদমে চলছে। আগামী ২ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে। দ্রুত পন্টুন স্থাপনের পর শিগগিরই গাড়ি পাড়াপাড় শুরু হবে।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় ভোলা-বরিশাল রুট দিয়ে ৩শ’ কিলোমিটার ঘুরে অন্য জেলায় কাঁচামালসহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহণ করা হচ্ছে।







