প্রতিষ্ঠার পর থেকে দশ বছর পার করলো শহীদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশন। শহীদ বুদ্ধিজীবীর মেয়ে শাওন মাহমুদ ফেসবুক পোস্টে এটি জানিয়েছেন।
তিনি তরি ফেসবুক পোস্টে লেখেন: খুব ধীরে নীরবে ২০১৫ অগাস্ট মাসে শহীদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশন ১০ বছরে পা দিলো। একান্ত কাছের মানুষগুলোকে আজ ধন্যবাদ দেওয়ার পালা। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের ছোট কনফারেন্স রুমটি ফ্রি বরাদ্দ হয় মফিদুল হকের কারণে।
ওয়াসিম প্রিন্টিং বা ক্রেস্ট অথবা কার্ড বিলি করে কখনও যাতায়াত ভাড়া চায়নি। নিত্য উপহারের বাহার ভাই ও আকবর উত্তরীয় বানানোর শুধুমাত্র কাপড়ের খরচটুকুই নেয় আর কিছু না। বাচ্চু বাবা বসেই থাকেন সবধরনের সহযোগিতার জন্য, তিনি না হলে এই ফাউন্ডেশনের জন্মই হতো না।
মুক্ত সবধরনের প্রেস রিলিজ করে আমায় চিন্তামুক্ত করে। অগাস্ট মাসের প্রথমেই আমার পরিবারের সকলে চুপ করে যার যতটুকু দেওয়ার ঠিক ততটুকুই অর্থ আমাকে যোগান দিয়ে যান গত দশ বছর ধরে।
প্রতি বছর ৩০ অগাস্ট এই ফাউন্ডেশন থেকে বাংলাদেশের দুই গুণীজনকে সম্মাননা দেই। প্রত্যেক গুণীকে ১০,০০০ হাজার টাকা, উত্তরীয়, ক্রেস্ট এটুকুই দিতে পারি। পেছনে টানানোর জন্য ব্যানারটি ছয় বছর ধরে চলছে। এর সাথে যুক্ত হয় প্রিন্টিঙের খরচ, সাউন্ড আর চা নাস্তা। আমাদের আশীর্বাদ করবেন যেন প্রতি বছর দুই থেকে বেড়ে পাঁচ গুণীজনকে আমরা সম্মান জানাতে পারি, আমাদের সাথে থাকবেন।
ফুট নোট ; আমাদের এই গল্প শুনে গত বছরের এই পদকপ্রাপ্ত দুই গুণীজন, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী এবং ইমতিয়াজ বুলবুল তাঁদের প্রাপ্ত খাম দুটি আমার হাতে দিয়ে গেছেন এবছরের দুই গুণীজনকে উপহার হিসেবে। খাম দুটি ঠিক ওইভাবেই আছে এবারের অপেক্ষায়, ড্রয়ারে।






