বাংলাদেশ সফরে এখন পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের পক্ষে সফলতম ব্যাটসম্যান এলটন চিগাম্বুরাকে ফিরিয়ে বড় শঙ্কাটাই কাটালো টাইগাররা। ২৭৭ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে শুরুতেই মুস্তাফিজের জোড়া আঘাত এবং নাসিরের শিকারে চাপে পড়লে ভালোই লড়ছিলেন সিন উইলিয়ামস ও এলটন চিগাম্বুরা জুটি।
অধিনায়ক চিগাম্বুরা এবং উইলিয়ামস এর ৮০ রানের জুটি ভাঙ্গেন অলরাউন্ডার সাব্বির রহমান। প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক চিগাম্বুরা ৪৭ বলে ৪৭ রান করে সাব্বিরের ঘূর্ণি বলে বোল্ড হন।
দলীয় ১২৭ রানে জিম্বাবুয়ের অধিনায়কের বিদায়ে বেশ চাপে পড়েছে জিম্বাবুয়ে।
শুরুতেই জিম্বাবুয়েকে জোড়া আঘাত করেন বিস্ময় বালক মুস্তাফিজুর রহমান। দলীয় ৪ রানের মাথায় দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে চামু চিবাবাকে সরাসরি বোল্ড করার পর দলীয় ৪৩ রানে অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান র রেজিস চাকাভাকে নাসিরের ক্যাচে পরিণত করেন। পরে দলীয় স্কোরবোর্ডে আরো ৪ রান যোগ করতেই নাসিরের বলে এলবিডাব্লিউ এর শিকার হন ক্রেইগ এরভিন। চিবাবা ৪, চাকাভা ১৭, ক্রেইগ ২১ রান করে আউট হন।
প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ৬ ওভার করে উইকেট শূণ্য থাকা মুস্তাফিজ স্বরুপে প্রত্যাবর্তনের দ্বিতীয় ম্যাচটিতে নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে শেষ ম্যাচটিতে উইকেট শিকারের সূচনা করেন এই কাটার বিশেষজ্ঞ।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা টাইগাররা তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের দৃষ্টিনন্দন ১৪৭ রানের উদ্বোধনী জুটি এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ৫২ রানের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলা শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৭৬ রান করেন। ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সর্বোচ্চ রানের মালিক তামিম এবং টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি করা ইমরুল দুজনই ৭৩ রান করেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে লুক জংগুই ও গ্রিম ক্রেমার ২টি করে উইকেট নেন। এলটন চিগুম্বরা ও ম্যালকম ওয়ালার ও টিনেসি পানিয়াঙ্গারা প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
আজ জিতলেই ওয়ানডে ক্রিকেটে ১১তম বারের মতো প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করবে বাংলাদেশ। সর্বশেষ পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার মধ্যদিয়ে প্রতিপক্ষকে দশমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করে টাইগাররা।






