আগেরদিন সেঞ্চুরি করেও জেতাতে পারেননি। এদিন শুরু করলেন সেখান থেকেই। তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ফিফটির বেশি এগোতে পারেননি ক্রিস গেইল। মিডলঅর্ডারে শিমরন হেটমায়ার দারুণ এক শতক হাঁকিয়ে সেটা পুষিয়ে দিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। পরে শেলডন কটরেলের ঝড় তোলা বোলিং। ইংল্যান্ডকে ২৬ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ক্যারিবীয়রা।
ব্রিজটাউনে জিতে পাঁচ ওয়ানডের সিরিজে ১-১এ সমতা টেনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৮৯ রানের পুঁজি পায় স্বাগতিকরা। জবাব দিতে নেমে ৪৭.৪ ওভারে ২৬৩ রানে অলআউট ইংল্যান্ড।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জন ক্যাম্পবেল ও ক্রিস গেইল উদ্বোধনীতে আনেন ৬১ রান। ক্যাম্পবেল ২৩ রানে থামলে ভাঙে জুটি। লেগস্পিনার আদিল রশিদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে গেইল করেন ৫০ রান, ৬৩ বলে ৪ ছক্কা ও এক চারের ইনিংস তার।
এরপর শাই হোপ ৩৩, ড্যারেন ব্রাভো ২৫ রানে ফিরে গেলেও উইন্ডিজের ইনিংস টানেন হেটমায়ার। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন। বাঁহাতি হেটমায়ার ঝড় তুলে অপরাজিত থাকেন ১০৪ রানে। ৮৩ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কার ইনিংস তার।
জবাব দিতে নেমে বাঁহাতি পেসার কটরেলের তোপে পড়ে ইংলিশরা। দুই ওপেনারের একজন জনি বেয়ারস্টো রানের খাতা খুলতে পারেননি, অন্যজন জেসন রয় ফেরেন ২ রানে। জো রুট থামেন ৩৬ রান।
এরপর খানিকটা প্রতিরোধ। বেন স্টোকস ও এইডেন মরগান ৯৯ রানের জুটি গড়েন। অধিনায়ক মরগান ৭০ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। পরে জস বাটলার ৩৬ রানের অবদান রাখেন।
কিন্তু স্টোকস ৭৯ রান করে ফিরতেই আশা ফুরিয়ে যায় ইংল্যান্ডের। মঈন আলি (০) ও কারেন (১২) বড় কোনো অবদান না রাখতে পারলে হারই জোটে।
কটরেল ৪৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন। অধিনায়ক হোল্ডার ৩ উইকেট নিয়ে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন অবশ্য সেঞ্চুরি করা হেটমায়ার।








