মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের
বিরুদ্ধে ‘অন্যায্য মৃত্যু’ মামলা দায়ের করেছেন ২০১২ সালে লিবিয়ার
বেনগাজিতে মার্কিন দূতাবাস এলাকায় হামলায় নিহত দুই কর্মকর্তার পরিবার।
নিহত
শন স্মিথের মা প্যাট্রিশিয়া স্মিথ ও টাইরন উডসের বাবা চার্লস উডস মামলার
এজাহারে দাবি করেন, ওই দুই আমেরিকানের মৃত্যুর পেছনে হিলারির ব্যক্তিগত
ইমেইল সার্ভার ব্যবহার ভূমিকা রেখেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বেনগাজি হামলা সরাসরি এবং প্রায় নিখুঁতভাবে ঘটানো হয়েছিল। এর জন্য পররাষ্ট্র বিভাগের কর্মকর্তাদের অবস্থানসহ অন্যান্য গোপনীয় তথ্য আদান-প্রদানে হিলারি ক্লিনটনের ‘চরম অসতর্কতা’ কিছুটা হলেও দায়ী।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের জেমস কমি গত মাসে হিলারির ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার তদন্তের পর প্রতিবেদন ঘোষণার সময় জানান, শত্রুপক্ষ ওই সার্ভারে ঢুকে থাকতে পারে। তবে তিনি এ-ও জানান, এফবিআই এমন কোনো সরাসরি প্রমাণ পায়নি, যা থেকে বলা যায় তারা সার্ভারটি সফলভাবে হ্যাক করেছিল।
এখনো কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে না পারলেও, মামলায় বলা হয়েছে, এটা ‘খুবই বেশি সম্ভব’ যে হিলারি ক্লিনটন লিবিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোপার স্টিভেনসের কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তথ্যাদি ব্যক্তিগত ইমেইলে লেনদেন করেছেন। যেখান থেকে বিদেশি শক্তিরা খুব সহজেই সেসব তথ্য পেয়ে যেতে পারে।
এছাড়াও মামলার বাদিরা হিলারির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিবৃতিতে তাদের মানহানি করার অভিযোগ তুলেছেন।
নিহতদের বাবা-মা দাবি করেন, তাদের সন্তানদের মৃত্যুর পর তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন তাদের সঙ্গে দেখা করার সময় বলেছিলেন, ইউটিউবে প্রকাশিত একটি বিতর্কিত ভিডিও বেনগাজি হামলার পেছনে প্রেরণা জুগিয়েছে। অথচ পরবর্তীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও বিবৃতিতে তিনি এ কথা অস্বীকার করে বলেন, নিহত কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা ভুল বলছেন।
স্মিথ বেনগাজিতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের তথ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং উডস নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।







