সেদিন এক সঙ্গে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজে নেপাল যাত্রা করেছিলেন তারা। সবাই মেতে ছিলেন আনন্দ, উল্লাসে। কিন্তু হঠাৎ করেই সেখানে নেমে আসে নরক যন্ত্রণা। যার শিকার হয়েছিলেন বেশিরভাগ সহযাত্রী। তবে ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান মেহেদী হাসান। মারাত্মক আহত হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।
সোমবার সেই সহযাত্রী, ভাই ও ভাইয়ের মেয়ের জানাজায় অংশ নিতে হাসপাতাল থেকে দুই ঘণ্টার ছুটি নিয়ে আর্মি স্টেডিয়ামে আসেন মেহেদী।
নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ বিকালে দেশে এসে পৌঁছে। সোমবার বিকাল চারটার দিকে মরদেহবহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি এসে পৌঁছায়।
এরপর আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হবে মরদেহ। সেখানে পরিবারের লোকজন, সরকারের উর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ জানাজায় অংশ গ্রহণ করবেন। তাদের সঙ্গে মেহদীও জানাজায় অংশ গ্রহণের জন্য ছুটি নিয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন মেহদী। মেহেদীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে গেছে। তার ঘাড়েও আঘাত রয়েছে।
ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মেহেদীর সঙ্গে স্ত্রী সৈয়দা কামরুন নাহার স্বর্ণা এবং ভাবি আলমুন নাহার অ্যানিও হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে নিহত হয়েছেন ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও ভাইয়ের ছোট্ট মেয়ে তামারা প্রিয়ন্ময়ী।







