রুনা খান। পর্দায় যার উপস্থিতি সবসময়ই। সে হোক না বড় পর্দা কিংবা ছোট পর্দা। নাটক, টেলিছবি, বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র দিয়ে ইতিমধ্যে দর্শকমনে একটা স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন তিনি। সামনে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত ছবি ‘হালদা’। ছবিটি নিয়ে তিনি কথা বললেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে।
কেমন আছেন?
ভালো আছি।
‘হালদা’য় কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?
অসাধারণ। ‘হালদা’ তো আসলে নদী ও নারীর গল্প। নদীকে যেমন নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সামনে যেতে হয়, একজন নারীকেও তেমনি নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে টিকে থাকতে হয়। অর্থাৎ নারীর জীবনটা নদীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।যদিও মানবজীবনটাই এমন কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে তা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।

‘হালদা’য় আপনার ক্যারেক্টার কি ছিল?
এখানে আমি ‘জুঁই’ নামে একটা চরিত্রে কাজ করি। ছবিতে আমি জাহিদ হাসানের বউ থাকি অর্থাৎ বড় বউ। ছবিতে আমার সহ-শিল্পীরা হলেন মোশাররফ করিম, তিশা, দিলারা জামানসহ আরও অনেকে।
‘হালদা’ তো চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় করা, ভাষা নিয়ে কোনো জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন কি?
আমি বলবো তেমন একটা জটিলতা হয়নি। কারণ, ছবির পরিচালক তৌকির আহমেদ আগে থেকেই এটা বলে রেখেছিলেন। তাই টুকটাক প্রস্তুতি নেয়া ছিল। তাছাড়া আমাদের সেটে সবসময় একজন অনুবাদক থাকতেন। তিনি চিটাগাংয়ের লোক এবং একজন থিয়েটার কর্মীও। প্রতিটা দৃশ্যর আগে তিনি ডায়ালগ, টোন শিখিয়ে দিতেন। তাই বলতে হবে চট্টগ্রামের ভাষা ওভাবে শিখি নাই, কিন্তু প্রপারলি রিহার্সেল করেছি।
‘হালদা’র টিমের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?
দারুণ একটা টিম। আমার কখনও মনেই হয়নি আমি বড় পর্দার কাজ করছি খুব একটা স্বস্তি পাচ্ছি না। আসলে আমি বড় পর্দায় যে কয়েকটা কাজ করেছি প্রত্যেকটি পরিচালক এত্ত গুণী, ভক্ত যা বলে বোঝানো প্রায় অসম্ভব।‘হালদা’ টিমসহ তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে কাজ করা ছিল ভীষণ আরামদায়ক।

‘হালদা’র শুটিং তো চট্টগ্রামেই হয়েছে তাই না?
হ্যাঁ ছবির বেশিরভাগ অংশের শুটিং চট্টগ্রামে হলেও, আমার অংশের শুটিং হয়েছে রাজবাড়ী।
‘হালদা’ নিয়ে কেমন আশাবাদী?
আশা করছি মেকিং, গল্প সব মিলিয়ে ‘হালদা’ দর্শকহৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারবে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ চ্যানেল আই অনলাইনকে সময় দেবার জন্য
আপনাকেও ধন্যবাদ।








