ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৭ উইকেটে হেরে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সেন্ট কিটসে হারের পর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সামনে এনেছেন ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাকে।
সাকিব মনে করেন ওয়ার্নার পার্কে যেমন উইকেটে খেলা হয়েছে তাতে লড়াই জমিয়ে তুলতে অন্তত ১৭০ রান করা দরকার ছিল। সেখানে বাংলাদেশ করেছে মাত্র ১৪৩ রান। বৃষ্টির পর ছোট হয়ে আসা নতুন লক্ষ্য (১১ ওভারে ৯১) ৯.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় ক্যারিবীয়রা।
ম্যাচ শেষে আক্ষেপ করে সাকিব বলেন, ‘যে ধরণের উইকেটে খেলা হয়েছে তাতে কমপক্ষে ১৭০ করতে হতো, ১৮০ রানও হতে পারত। অনেক রান শর্ট ছিল। সবমিলে আমরা খারাপ বল করিনি। ওদের মতো পাওয়ার হিটারদের টানা উইকেট নিতে না পারলে হবে না। রাসেলের মতো হার্ডহিটার যদি ৩০ বলের মতো খেলে ফেলে এমন একটি গ্রাউন্ডে। তাহলে কঠিন হয়ে যায়।’
২১ বলে ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে অবদান রাখেন আন্দ্রে রাসেল। স্যামুয়েলস-পাওয়েলরা মিলে সহজ করে দেন কাজ।
তিন ম্যাচে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে ১১ ওভারে ১০০ রান তুলেও ১৪৩-এ থামতে হয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথম ওভারেই তামিম-সৌম্যর উইকেট হারালেও বাংলাদেশ বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছিল লিটন-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকের ব্যাটে।
তারপরও কেন বড় সংগ্রহ হল না সে প্রশ্নের জবাবে টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক বলেন, ‘১১ ওভারে ১০০ রান। তখন ৫ উইকেট হারিয়েছিলাম। ওখান থেকে ফিরে আসা মুশকিল হয়ে যায়। ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট হারানো। শুরুতে উইকেট পড়ার পরও সেটা লিটন ও আমি মিলে কাভার করেছিলাম। মুশফিক ভাই, রিয়াদ ভাইয়ের ভালো একটা জুটি হচ্ছিল। নিয়মিত উইকেট হারানোতে মোমেন্টাম কখনোই পাইনি।’








