ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ছিলেন একেবারেই অনুজ্জ্বল। চার ইনিংসে মাত্র ২১ রান। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আসছে সিরিজে দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে তাই ঘোর সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত উতরে গেছেন ইমরুল কায়েস। সাদা পোশাকে ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বরে তার ওপরই ভরসা রেখেছেন কোচ-নির্বাচকরা। সেই আস্থার প্রতিদান ব্যাটেই দেওয়ার চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা করছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
সাউথ আফ্রিকা থেকেই শুরু হয়েছিল জাতীয় দলের পথ চলা। সেই প্রোটিয়াদের বিপক্ষেই নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া ইমরুল। ঘরের মাটির চেনা কন্ডিশনে ব্যর্থ হয়ে আফ্রিকার মত বিরূপ কন্ডিশনে কীভাবে পারবেন নিজের আত্মবিশ্বাস ফেরাতে?
উত্তরে পাওয়া গেল প্রত্যয়ী ইমরুলকেই, ‘আমার জন্য তো চ্যালেঞ্জিং অবশ্যই। নিজে ভালোভাবেই সেটা জানি। শেষ সিরিজটা ভালো খেলিনি। আসলে সাউথ আফ্রিকা নয়, প্রতিটি সিরিজই চ্যালেঞ্জের। চেষ্টা করবো চ্যালেঞ্জ নিতে। নিজেকে মানিয়ে নিতে।’
ব্যাটে বাজে সময়ের জন্য চোটকেও সমানতালে দোষারোপ করেছেন ইমরুল। দেশের মাটিতে ভালো না খেলার কারণ হিসেবে মাত্রই চোট থেকে ফেরাকে বড় করে দেখছেন তিনি, ‘নিউজিল্যান্ডে চোট ছিল। এই কারণে শ্রীলঙ্কায়ও পারফর্ম করতে পারিনি। সব মিলিয়ে একটু দুর্ভাগাই বলবো নিজেকে। চোট না থাকলে আরেকটু ভালো হতো পারফরম্যান্স।’
টানা দুই সিরিজে ব্যর্থ হয়ে দলে টিকে যাওয়ার জন্য কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইমরুল। নিজের দুঃসময়ে কাঁধে কোচের হাত তাকে দলের হয়ে পারফর্ম করতে আত্মবিশ্বাসীই করছে, ‘কোচের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, দুই-তিনটা ইনিংসে খারাপ করলেই তো কাউকে আমরা বাদ দিতে পারিনা। আমাকে বলেছেন, তুমি খেলে যাও। অসুবিধা নেই।’
আফ্রিকায় শুরু, সেখানেই ক্যারিয়ারের পুনর্জন্ম হতে পারে বলে মনে করছেন ইমরুল। ক্যারিয়ার শুরুর আঁতুড়ঘরেই ফিরছেন বলে একটি বাড়তি প্রত্যয়ী তিনি। তবে, সিরিজ শেষে কোথায় গিয়ে থামবেন ইমরুল সেটা জানার ইচ্ছেটা সময়ের হাতেই ছেড়ে দিতে হচ্ছে।






