রাজধানীতে মাছ ব্যবসায়ীকে গুলি করে পালানোর সময় আটক হওয়া নুরুল ইসলাম গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর রাতে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এর আগে শনিবার দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় মাছের আড়তে আবুল বাসার বাদশা (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার সহায়তায় হাতিরঝিল থেকে নুরুল ইসলামকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশ।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন: নুরা একাধিক মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিল। সে বনানীর এমএস মুন্সি ওভারসিজ (জনশক্তি রপ্তানি) প্রতিষ্ঠানের মালিক সিদ্দিক হোসেন মুন্সী (৫০) হত্যা মামলারও আসামি।
‘হত্যা মামলাটি ডিবি তদন্ত করায় শনিবার রাতে তাকে সঙ্গে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল পালিয়ে যাওয়া অন্য সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযানে যায়। এ সময় বাড্ডার সাতারকুলে নুরার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এসময় পুলিশ পাল্টা গুলি করলে নুরুল ইসলাম নুরা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রোববার সকাল ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
গত ৮ ডিসেম্বর ভোরে বাড্ডার আফতাবনগর এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সিদ্দিক মুন্সি হত্যাকাণ্ডের জড়িত দুই আসামি সাদ্দাম হোসেন (২৫) ও আলামিন ওরফে পিচ্চি আলামিন (৩২) নিহত হয়। এর আগে, হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহকারী ও পরিকল্পনাকারী হেলাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বনানী থানায় নিহতের স্ত্রী জোছনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নুরাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।










