হাতপাখা তৈরি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে গাইবান্ধার খামারিপাড়া গ্রামের অসংখ্য পরিবার। সাদুল্যাপুর উপজেলার ওই গ্রাম এখন পাখার গ্রাম হিসেবে পরিচিত।
তীব্র গরমে পাখা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারপাড়া এলাকার মানুষ। প্রতিদিন ১২শ’ থেকে ১৫শ’ পর্যন্ত হাতপাখা তৈরি করেন তারা। প্রতিটি পাখা তৈরি করতে সুতা, বাঁশের হাতল, কাপড় ও মজুরিসহ প্রায় ১৭/১৮ টাকা খরচ পড়ে। এসব পাখা পাইকারি এবং বিভিন্ন হাট-বাজার এবং দোকান ও মেলায় ২৩ টাকা থেকে ২৫ টাকা দামে বিক্রি হয়।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও স্থানীয়ভাবে স্বল্প সুদে ক্ষুদ্র ঋণের সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পাখা তৈরির কারখানা করাও সম্ভব।
গাইবান্ধা বিসিক শিল্পনগরী সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক এ কে এম মুশফিকুল ইসলাম বলেন, খামারপাড়া গ্রামে ৪ শ’র বেশি পরিবার বাস করে। তার মধ্যে ১শ পরিবারের ৭-৮’শ নারী-পুরুষ হাত পাখার কাজ করেন। বছরের আট মাসই তাদের দিন যায় পাখা তৈরির কাজ করে।
বিস্তারিত দেখুন ফারুক হোসেনের পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্রে সাদিয়া ওমর এর রিপোর্টে:








