অকালবন্যার পর হাওরবাসীর কাছে সবচেয়ে বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঋণের কিস্তি। হাওরের কৃষক ও মৎস্যজীবী পরিবারগুলোর চরম দু:সময়ে এই ভার থেকে মুক্তি চাইলেও তা জোটেনি তাদের ভাগ্যে।
থেমে গেছে হাওরের পানির তোড়। দিগন্ত জোড়া ধান এখন শুধুই স্মৃতি। হতদরিদ্র চাষী আর মৎস্যজীবী পরিবারগুলোয় নানামুখি সাহায্য সহযোগিতায় জুটছে একবেলা আধবেলার খাবার। কিন্তু সবকিছু স্থবির হয়ে গেলেও এখনও সক্রিয় রয়েছে নিয়মিত পাওনাদার। এই বিপদের দিনেও এখান থেকে মুক্তি মেলেনি তাদের।
হাওরবাসীর দাবি, সেখানকার সিংহভাগ কৃষক ও মৎস্যজীবীর নগদ অর্থের নির্ভরতা এনজিও’র ঋণের উপর।
প্রধানমন্ত্রী গত ৩০ এপ্রিল বিপন্ন হাওরবাসীর মাঝে গিয়ে ঋণদানকারীদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসেন।
হতভাগ্য হাওরবাসী বলছেন, যাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর সে আহ্বান তাদের কানে তা পৌঁছেনি।
ঋণদানকারী বেসরকারি সংস্থা নানানভাবে অস্বীকার করছে দুর্গত মানুষের অভিযোগ। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের প্রশ্নে তারা জবাবহীন।
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








