জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর কাজী সাইফুদ্দিন জানিয়েছেন, ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আবাসিক হল নির্মাণের জন্য একটি উন্নয়ন প্রকল্প মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়েছে। শিগগিরই একনেকের বৈঠকে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, কেরাণীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় একজন শিল্পপতি একটি অত্যাধুনিক এক হাজার বেডের বিশ তলা হল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামী নভেম্বর ডিসেম্বরে হল নির্মাণ শুরু হবে।
এদিকে হলের দাবিতে সমাবেশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হামলার কারণে তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে না পেরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করছে।
শিক্ষার্থীরা হলের দাবি জানিয়ে বলেন, নিজেদের ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য দাবী আদায় করতে না পেরে শহীদ মিনারে তারা সমাবেশ করে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে আমরা ঐক্যবদ্ধ। হলের দাবিতে অনশনও করেছে ছাত্রলীগ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
পুরনো ঢাকায় কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গায় আবাসিক হল নির্মাণের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায় এক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ।
ওদিকে পুরনো ঢাকার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কারাগারের পরিত্যক্ত জায়গায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার নামে জাদুঘর নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে।







