জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন সামাদকে কুপিয়ে এবং গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত এবং পূর্ব শত্রুতার কারণে হতে পারে বলে ধারনা করছে পুলিশ।
পুরান ঢাকার সুত্রাপুরের হৃষিকেশ দাস রোড-এ রাত নয়টার দিকে দুর্বৃত্তদের আক্রমণের শিকার হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদ।
বুধবার ক্লাশ শেষে সহপাঠীদের কাছ থেকে বিদায় নেবার কিছুক্ষণ পর দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে এবং মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়।
কোন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না বলে দাবী সহপাঠীদের।
নিহত নাজিমুদ্দিনের সহপাঠী আরেফিন বলেন, ক্লাশ শেষে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে দশ পনের মিনিট আড্ডা দিয়েছি পরে যার যার মতো চলে এসেছি। রাস্তায় এক সহপাঠীর ফোনে জানতে পারি ঘটনাটি। দুই মাস ধরে আমাদের কখনো মনে হয়নি ও কোন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল।
নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের সিলেট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে নিজের পরিচয় উল্লেখ করেন নাজিমুদ্দিন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু, ধর্মবিদ্বেশীদের সমালোচনার পাশাপাশি সর্বশেষ তনু হত্যা নিয়েও নিজের ধারনা প্রকাশ করে সে। তবে হত্যাকাণ্ডে সুনির্দিষ্ট কোন কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।
সুত্রাপুর থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা বলেন, আমরা মনে করছি সিলেটের কোন ঘটনার জেরে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত, নিহত নাজিমুদ্দিন ঢাকায় একেবারেই নতুন, এতো অল্প সময়ে তার কারো সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠেনি। প্রফেশনাল হত্যাকারীরাই এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় আসার পর মামলা করবেন জানিয়েছে পুলিশ।








