উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহত এবং তাদের স্বজনদের পাশে থাকবে সরকার এবং আওয়ামী লীগ।বুধবার গণভবনে দলের ওয়ার্কিং কমিটি’র জরুরি সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা জানান।
বলেন: হতাহত ও তাদের পরিবারের সমস্যা-সুবিধা দেখতে দলীয় নেতাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বার্ন এক্সপার্ট পাঠানোসহ নেপালকে সার্বিক সহযোগিতা দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টায় বার্ন ইউনিট-অর্থপেডিক ও আইসিইউ সমন্বিত ৮ সদস্যের টিমটি নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আহত এক বাংলাদেশিকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়া হচ্ছে, হতাহতদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’
নেপালের ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে বৃহস্পতিবার একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। সারাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এদিনে জাতীয় পাতাকা অর্ধনমিত থাকবে। আর শুক্রবার মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডাসহ দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দোয়া ও বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।
নেপালের কাঠমান্ডুতে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় সিঙ্গাপুর সফর সংক্ষিপ্ত করে একদিন আগেই মঙ্গলবার দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নিজ কার্যলয়ে জরুরি বৈঠকে করেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রিভুবন বিমানবন্দর যে ঝুঁকিপূর্ণ তাও আরেকদফা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সামগ্রিক পরিস্থিতি ধৈর্য এবং সাহসের সাথে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে ২৮ বাংলাদেশিসহ ৫১ যাত্রী নিহত হয়েছে। আহতরা নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।







