চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলতে স্মৃতির কার্ডিফে এখন মাশরাফি-তামিমরা। মঙ্গলবার বিকেলে রওনা হয়ে পাঁচ ঘণ্টার বাস ভ্রমণ শেষে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় কার্ডিফে পা রাখেন টাইগাররা।
২০০৫ সালের ১৮ জুন, ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ক্রিকেটবিশ্বকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর টাইগারদের বিপক্ষে তখনকার বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা পাঁচ উইকেটে হার মানে। এখন পর্যন্ত সেটিই একমাত্র অজিবধের ইতিহাস লাল-সবুজদের।
সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর কার্ডিফে আর নামা হয়নি টাইগারদের। প্রায় এক যুগ পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে ভেন্যুটিতে নামবে বাংলাদেশ। আগামী ৯ জুন প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ব্ল্যাক ক্যাপসদের মোকাবেলায় মঙ্গলবার তাই লন্ডন থেকে কার্ডিফ যাত্রা। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় অনুশীলনে নামবে দল।
লন্ডন ছাড়ার আগে টাইগার পেসার রুবেল হোসেন সংবাদমাধ্যমের কাছে আশার কথা জানিয়ে গেলেন, ‘নিউজিল্যান্ডকে হারানো অসম্ভব নয়। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শেষ ম্যাচে আমরা তাদের বিপক্ষে জিতেছি। আমাদের সেরাটা খেলতে পারলে কার্ডিফেও জয় সম্ভব।’
ওভালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার দিয়ে শুরু হয় মাশরাফিবাহিনীর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযান। সোমবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারের মুখ থেকে রক্ষা করে প্রকৃতি। বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পায় বাংলাদেশ। দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে কার্ডিফে পা রাখা মাশরাফিদের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি; এটাই এখন বড় সান্ত্বনার।
‘এ’ গ্রুপের শক্তিশালী দল ইংল্যান্ড তাদের শেষ দুই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে হারালে আর বাংলাদেশ কার্ডিফ জয় করতে পারলে এই গ্রুপ থেকে সেমিতে খেলবে ইংল্যান্ড আর বাংলাদেশই। তখন ৬ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ড, ৩ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ যাবে শেষ চারে। আর নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট থাকবে ২ করে। এর আগে ‘এ’ গ্রুপের অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সমীকরণ সহজ হয়েছে।








