চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে সামিটের সব চেয়ে বড় বিনিয়োগ

রাজু আলীমরাজু আলীম
৫:১০ অপরাহ্ণ ২৮, জুলাই ২০১৮
সাক্ষাতকার
A A
বিনিয়োগ

বিদ্যুতের জন্য একসময় আমরা এই দেশে লাগাতার রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম, এমনকি সরকার পতনের আন্দোলনের মতো ঘটনাও দেখেছি। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে বদলে গেছে আজকের বাংলাদেশের চিত্র। সারাদেশে বিদ্যুতের অভাবে আন্দোলন, এখন আর কোথাও অরাজকতা হয় না। বর্তমান সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সত্যি সত্যি সক্ষমতা দেখিয়েছে। সরকারের সফলতার পেছনে বিদ্যুতের এই উৎপাদন বাড়াতে অন্যতম ভুমিকা রেখেছে প্রাইভেট সেক্টরের অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামিট কর্পোরেশন। এবার এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিদ্যুত সেক্টরে বিনিয়োগের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী ৪৫ বছরে বাংলাদেশে প্রাইভেট সেক্টরের সবচেয়ে বড় প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ চুক্তি করেছে সম্প্রতি সামিট কর্পোরেশন।

দেশে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সামিট করপোরেশন, মিতসুবিসি এবং জেনারেল ইলেকট্রিক জিই। রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২,৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য জয়েন্ট ভেঞ্চারে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে জিই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও রাসেল ষ্টোকস এবং মিতসুবিশি কর্পোরেশনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিজনেস ডিভিশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তেতসুজি নাকাগাওয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সামিট করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আজিজ খান বলেন, ‘বাংলাদেশের এ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো হবে অত্যন্ত আধুনিক মানের। আর প্রাইভেট সেক্টরে এতো বড় কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সরকারের সহযোগিতায় ভিশন ২০২১ এবং ২০৩০ এর অংশ হিসেবে এমন কাজ করতে পেরে আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।’ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এতো বড় বিনিয়োগ দেশের জন্য অনেক বড় সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো। আমরা চাই এ ধরনের কাজে আরও প্রাইভেট সেক্টর এগিয়ে আসুক। আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়াররাও এখন অনেক ভালো করছেন। এটা আমাদের একটা বড় প্রাপ্তি। তরুণ সমাজ এগিয়ে আসছে, তারই এ দেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘৪৫ বছরের ইতিহাসে এ চুক্তিই বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টরে সব থেকে বড় বিনিয়োগের চুক্তি। বর্তমানে আমাদের ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আমরা দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত দেশেই পাবো। আশা করি খুব শিগগিরই পাওয়ার ও এনার্জি সেক্টরে বড় পরিবর্তন আসবে।’

এই সমঝোতায় পূর্বে ১৩ মার্চ ২০১৮ সিংগাপুরে মিতসুবিশির সাথে সামিটের জয়েন্ট ভেঞ্চারের চুক্তির ধারাবাহিকতায় যা মাতারবাড়িতে ২,৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ৩,৬০,০০০ মিটার এলএনজি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য করা হয়েছিল। এই প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে এযাবৎকাল পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ এবং সামিট এই প্রকল্পের সিংহভাগ বিনিয়োগ করছে এবং প্রকল্পের প্রধান অংশীদার । এই বিনিয়োগ উভয় এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের জন্য। জিই এই প্রকল্পের ইক্যুয়িটি এবং প্রযুক্তি অংশীদার। দেশের সবচেয়ে বড় ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেষ্টমেন্টের এফডিআই এই চুক্তি দেশের বিনিয়োগের ইতিহাসে মাইল ফলক হয়ে রইলো। ১৯৮৮ সালে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম বিদ্যুত উৎপাদনকারী হিসেবে সামিট এই মূহুর্তে তার ১৪ টি প্ল্যান্ট থেকে ১৪৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করে দেশের মোট উৎপাদনের ১৫ ভাগেরও বেশি এবং বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বিদ্যুত উৎপাদক হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামিটের গড়া বিদ্যুত প্রকল্পগুলোর সবকটিই অন্তত: চারটি- নির্ধারিত- অনির্ধারিত সময়ের আগেই উৎপাদনে এসেছে। এমনকি সামিট বিবিয়ানা টু প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে কম খরচে বিদ্যুত উৎপাদন করছে। অন্যদের তুলনায় যা প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। সামিটের ব্যবসার সফলতার পেছনে পার্টনারশিপ বা অংশীদারিত্বের ভূমিকা খুব বড়। এর কারণ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক পার্টনার বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। যারা আর্থিক এবং প্রযুক্তির সহযোগিতা দিচ্ছে সামিটকে এমনটিই জানান প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আজিজ খান। সম্প্রতি একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ খান বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে দিয়েছিলেন। এই চুক্তির মাধ্যমে সেই ঘোষণা বাস্তবে পরিণত করলেন তিনি। এটি সত্যিই দেশের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। এই সরকার যখন বেসরকারি খাতে বিদ্যুত উৎপাদনে সামিট পাওয়ারকে রিওয়ার্ড দিয়েছিল। তখন পত্র পত্রিকা, টিভি টকশোতে সামিট পাওয়ার এমনকি সরকারেরও অনেক আলোচনা সমালোচনার করতে দেখা গেছে অনেককে। কিন্তু বিদ্যুত নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে বর্তমানে গণমাধ্যমে, সভা সেমিনারে, টকশো খুব একটা বেশি কাউকে দেখা যায় না। বিদ্যুত নিয়ে সরকারের সফলতা আছে। আর এই সফলতার পেছনে রয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যুত উৎপাদনে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলো।

তারপরেও বিদ্যুতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। সেখানে সরকার এবং বেসরকারি ও সরকারি বিদ্যুত উৎপাদনে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ভুমিকা গুরত্বপূর্ণ ভুমিকা আছে বলে মনে করেন মুহাম্মদ আজিজ খান। বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম নাম মুহাম্মদ আজিজ খান। তিনি মনে করেন, সুখের প্রধান উপাদান হলো জ্ঞান। ভালো কাজ করার জন্যে হৃদয়টা অনেক নরম হতে হয়। আমাদের সমাজে দারিদ্র এতটা বেশি যে সেই আর্থিক দারিদ্র মানসিক দীনতায় পরিণত হয়। মানসিক দীনতা থেকে মুক্ত হতে জ্ঞান আহরণের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। বই পড়ে মানসিক দীনতা দূর করা সম্ভব বলে মনে করেন আজিজ খান। বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আদিকাল থেকেই খুবই সম্ভাবনাময় একটা দেশ। এই দেশে বর্তমানে যে হারে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় প্রবেশ করবে। নিজের জীবনের সফলতার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘যদি আমার ক্যারিয়ারের শতভাগ সফল হই, তাহলে বলতে পারি এর মধ্যে আমার স্ত্রীর অবদান ৫০ ভাগ। অনেকে বলার জন্য বলে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে বাস্তবিকই আমার স্ত্রীর অবদান সবিশেষ। সংসার বা ব্যবসায়িক নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে থাকি। বড় বিষয় হচ্ছে, দুজন দুজনকে বুঝতে পারি। ফলে সংসার জীবনে আমি একজন সফল মানুষ।’ এভাবেই ব্যবসায়িক এবং পারিবারিক জীবনে সফলতার মাধ্যমে একজন আদর্শ ব্যক্তি হিসেবে সমাজে অবস্থান করে নিয়েছেন আজিজ খান। আর বর্তমানের এই ৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান সামিট কর্পোরেশনকে নতুন করে তুলে ধরলো অনন্য উচ্চতায়।

সামিট কর্পোরেশনের বর্তমান বিনিয়োগের সফলতার পেছনে আবদুল আজিজ খানের পাশাপাশি কৃতিত্ব রয়েছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও আয়েশা আজিজ খানের। তিনি ২২ জুলাই ২০১৬ সালে এই পদে অভিষিক্ত হন। দেশের বিদ্যুৎ খাতে তার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা রয়েছে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানীগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায়। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্পে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের পরিচালক, সামিট প্রকাশা এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক ২০০৪-২০১৭, সামিট ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক ২০০৫-২০১৭ এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেডের একজন ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ২০০৭-২০১১ এর দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত তিনি সামিট কর্পোরেশন লিমিটেডের গ্রুপ ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি বর্তমানে সামিট গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও আয়েশা আজিজ খান সার্ক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, দ্যা ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স এর একজন সদস্য। তিনি ২০০৩ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডন থেকে ইকোনমিকস এবং বিজনেস বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন এবং ২০০৭ সালে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস এডমিনিস্ট্রিশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন। সম্প্রতি তার সাক্ষাতকার নিয়েছেন রাজু আলীম।

সামিটের ৩ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট প্রচন্ড দরকারী বাংলাদেশের জন্যে- আয়েশা আজিজ খান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও, সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

Reneta

প্রশ্ন: ব্যবসায়ী পরিবারে বেড়ে ওঠা তাই মাইন্ডসেটও ওইভাবে ছিল? আমরা জানি, আপনি বার অ্যাট ল করেছেন আর এখন বিজনেস করছেন? নিজেদের পারিবারিক বিজনেস বলয়ে বেড়ে উঠে সামনে সবকিছু এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এই ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটা কোথায়?

আয়েশা আজিজ খান: আমি অনেক আগে থেকে ব্যবসা করতে চাই। আমি এমবিএ করেছি। আন্ডার গ্রাজুয়েশন শেষ করার পরে পড়েছি ইকনোমিক্স এন্ড বিজনেস। ব্যবসা করতে আসলে অনেক কিছু দরকার হয়। সারা পৃথিবীতেই পারিবারিক ব্যবসার যে একটা ট্রেন্ড আছে এটা সবসময়ই বাড়ছে- ইউরোপ, আমেরিকা বা জাপানে ফ্যামিলি বিজনেস ইজ দ্যা পার্ট অব ইট। কারণ ব্যবসা করা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে একরকমের ট্রেনিং দরকার হয় যা ফ্যামিলির ভেতর থেকে আসা বড় একটা অ্যাডভান্টেজ। আই থিঙ্ক উই আর ভেরি প্রিভিলিজড। আমরা যারা ফ্যামিলি বিজনেস থেকে আসি তারা ছোটবেলা থেকেই ব্যবসার কথা শোনা, ব্যবসার কথা শেখা যে অ্যাডভান্টেজ তাতে আরেক রকমের পারসেপশন আছে। আর ব্যবসা অফকোর্স প্রাইভেট ক্যাপিটাল মার্কেটের খুব বড় একটা পার্ট। প্রাইভেট ক্যাপিটাল মার্কেটের মতো যারা ক্যাপিটালটার ওনার তাদের কন্ট্রিবিউশন ওই ব্যবসার সাথে যে রকমভাবে থাকতে পারে ওইখানেও আমাদের খুব বড় একটা অ্যাডভান্টেজ। তো আমি প্রচণ্ড লাকি। আমার বাবা ছোটবেলা থেকে চেয়েছেন আমাদেরকে ইনভলভ রাখতে। আমার চাচারা আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করেছি। এখন আমরা সামিট দেশের জন্যে যা কিছু করতে পেরেছি তার জন্যে উই আর ভেরি ফরচুনেট।

প্রশ্ন: ষ্পেশালি এনার্জি সেক্টর?

আয়েশা আজিজ খান: এনার্জি সেক্টরের জন্যে কাজ করতে পারা তো আরও বেশি সৌভাগ্যের। এখন সামিট এমন এক জায়গায় আছে তাতে অনেক বেশি প্রফেশনাল। অনেক বেশি অর্গানাইজড হয়ে গেছি আমরা। সো আমার কন্ট্রিবিউশন উইল বি এ লং উইথ অল আরওয়ার পিপল আওয়ার বোর্ড অব ডিরেক্টরস, এম্পলয়িজ এন্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর-আমরা সবাই মিলেই চাই বাংলাদেশে ইনফ্রাষ্ট্রাকচার স্পেসে যতো পারি ততো ভালোভাবে কন্ট্রিবিউট করতে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছেন আপনারা বিদ্যুত সেক্টরের জন্যে- এ সম্পর্কে জানতে চাই?

আয়েশা আজিজ খান: আমরা মাতারবাড়ীতে একটি ইন্ট্রিগেটেড প্রজেক্ট করছি। এর জন্যে আমরা প্রথমে সাইন করলাম সিঙ্গাপুরের মিতসুবিশির সাথে। মিতসুবিশির সাথে সাইন করার পরে জেনারেল ইলেক্ট্রিকও পার্টনারশিপের পার্ট হলো। মিতসুবিশি এবং জেনারেল ইলেক্ট্রিকের রোল হলো? এই দুইজনই পৃথিবীর খুব বড় বড় কর্পোরেশন। মিতসুবিশি যে টেকনিক্যাল নো হাউটা আনতে পারে অন ইম্পিলিমেন্টিং লার্জ ষ্কেল ইন্ট্রিগেটিং প্রজেক্ট। লার্জ ষ্কেল ইন্ট্রিগেটিং প্রজেক্ট বলছি এই কারণে যে, প্রজেক্টটা আসলে বলতে পারেন তিনটা প্রজেক্ট। একটা হলো পাওয়ার প্ল্যান্টসগুলো, আরেকটা হলো এলএনজি টার্মিনাল বিজনেস- এই দুইটার সাথে আরেকটা হলো ইন্ট্রিগ্রেশন। মিতসুবিশি এই কাজটা অনেক দেশে অনেকভাবে করেছে- দে আর মাষ্টার এট লিষ্ট। জেনারেল ইলেক্ট্রিক টার্বাইন।ওদের রোল হলো অন দ্যা পাওয়ার প্ল্যান্ট।তারা এলএনজি টার্মিনালে ততোটা নয়। পাওয়ার প্ল্যান্টস এ দে আর হ্যা নাও ইমপ্রুভেন টু বি দ্যা বেষ্ট ষ্পেশালি ফর বাংলাদেশ। সো এই দুইটা পার্টনারশিপ আমরা করেছি। সামিট উইল বি দ্যা মেইন ডেভলপার এন্ড মেজরিটি শেয়ার হোল্ডার। আমাদের সাথে তাদেরকে আনার জন্যে বাংলাদেশের এবং সামিটের জন্যে আরও বড় প্রজেক্ট। এতো পার্টনারশিপ যদি না থাকতো এটি করতে আমাদের অনেক বেশি অসুবিধা হতো।

প্রশ্ন: বর্তমানে বিদ্যুতের যে চাহিদা দেশে সেইক্ষেত্রে সামিটের এই ৩ বিলিয়নের প্রজেক্ট দেশকে কি দিতে পারে?

আয়েশা আজিজ খান: এই প্রজেক্টটা আসলে বিপিডিপি এর অনেক বড় রোল এবং মিনিষ্ট্রিরও খুব বড় রোল। বাংলাদেশে পাওয়ারের রেগুলেটরি রেজিউম খুবই ভালো। তার জন্যেই মিতসুবিশি এবং জিই এর মতো কোম্পানি এনার্জি এবং পাওয়ারের মধ্যে আসতে চাচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সামিট সবাইকে একসাথে আনার কাজটি করে সবাইকে একসাথে নিয়ে ইনভেষ্টমেন্ট করছি। এই ৩ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট প্রচন্ড দরকারি বাংলাদেশের জন্যে। বাংলাদেশে এই পর্যন্ত যে সমস্ত সলিউশন এসেছে পাওয়ার সেক্টরে এমনকি আমাদেরগুলোও তার ম্যাক্সিমাম ক্যাপাসিটি হলো ৫৯০ মেগাওয়াট। আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়ার প্ল্যান্টটি আমরা করছি এখন মেঘনাঘাটে ৫৯০ মেগাওয়াট। আপনারা যদি অন্য কোন দেশে দেখেন- ডেভলপড দেশ কিংবা আমাদের চেয়ে যারা ১০/২০ বছর এগিয়ে আছে। পাওয়ার এবং এনার্জি সেক্টরের জন্যে সব ধরণের সলিউশন দরকার। বড় সাইজের সলিউশন, মাঝারি সাইজের সলিউশন এবং ছোট সাইজের সলিউশন- সব ধরণের উদ্যোগ দরকার। কারণ মার্কেটের ডিমান্ডটা একেক সময় একেক রকম হয়। তো এই বড় পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো বেইসলোড পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো খুব রিজনেবল কস্টে যদি না হয় তাহলে দেশের অ্যাভারেজ কস্ট অব ইলেক্ট্রিসিটি এন্ড অ্যাভারেজ কস্ট অব এনার্জি কমানো যাবে না। এই ৩ বিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট আমরা করছি। কারণ যখন এটি ইম্প্লিমেন্টেড হয়ে যাতে তখন সারা দেশের অ্যাভারেজ কস্ট নেমে আসবে। আমি বলছি না যে এইচএফবি বেজড পাওয়ার প্ল্যান্ট আমাদের দরকার এবং অন্য ধরণের পাওয়ার প্ল্যান্টও দরকার। কিন্তু সাথে এটি দরকার।

প্রশ্ন: এতে করে অনেক বেশি কস্ট ইফেক্টিভ হবে?

আয়েশা আজিজ খান: অ্যাবসুলুয়েটলি। তাহলে আমাদের টোটাল কস্ট কমে আসবে। এতে আমাদের এনার্জি ভ্যালু চেইন এর ভেতরে ইফিসিয়েন্সি আসবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে অনেক ষ্পেশাল ইকনোমিক জোন হচ্ছে- এর ফলে আমাদের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসবে?

আয়েশা আজিজ খান: খুবই দরকার। ষ্পেশাল ইকনোমিক জোন বাংলাদেশের মতো দেশে অবশ্যই বেশি দরকার। এখানে কয়েকটা অ্যাডভান্টেজ দিতেই হবে? আপনি যেহেতু ইনভেষ্টরদেরকে আসতে বলছেন? যদি বলেন তাদেরকে কোন সাহায্য করবেন না? কোন অ্যাডভান্টেজ দিবেন না তাহলে তারা বাংলাদেশে আসবে কেন? তারাতো ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়াতে যেয়ে অভ্যস্ত। নতুন দেশে আনতে হলে নতুন ধরণের অ্যাডভান্টেজ দিতেই হবে। আর শ্পেশাল ইকনোমি জোনগুলো এই কাজ করবে। ফরেন ডিরেক্ট ইনভেষ্টর বা বাকী ইনভেষ্টরদেরও আরও সহজে ইনভেষ্ট করার জন্যে ব্যবস্থা ক্রিয়েট করতে হবে।

প্রশ্ন: সামিট গ্রুপ অনেক বড় কর্পোরেশন এখন। আপনাদের টোটাল ইন্ডাষ্ট্রি ভলিউম সম্পর্কে জানতে চাই?

আয়েশা আজিজ খান: আমরা অবকাঠামো খাতে আছি। পাওয়ার এবং এনার্জি বাদেও আমরা পোর্টে আছি এবং টেলিকমিউনিকেশন অবকাঠামো খাতে আছি। বাংলাদেশে আমরা অবকাঠামো প্রভাইড করবো। অবকাঠামোর সাথে দেখতে হবে দেশের অভারঅল জিডিপি বাড়ছে নাকি? অবকাঠামো এনঅ্যাবল, জিডিপি গ্রোথ এর সাথে ম্যানুফ্রাকচারিং খুব ইম্পর্ট্যান্ট। এমপ্লয়মেন্ট ক্রিয়েশনও খুব ইম্পর্ট্যান্ট। সামিট চায় এইভাবে অবকাঠামো দেশকে দিতে যাতে দেশে এম্প্লয়েমন্ট বাড়ে। কস্ট অব প্রভাইডিং ইনফ্রাষ্ট্রাকচার শুড বি সাচ দ্যাট দেশের যাতে অভারঅল লাভ হয়। আর এই জায়গায় আমাদের খুব ফোকাস। আমরা কন্টিনিউয়াসলি চেষ্টা করছি যে, সব অবকাঠামোই আমরা যেখানে দিচ্ছি তা যেন মোষ্ট এন্ড বেষ্ট ইফিসিয়েন্ট ভাবে দিতে পারি।

প্রশ্ন: ইফিশিয়েন্সির জায়গায় এম্প্লয়িদের ষ্কিল ব্যাপার আছে?

আয়েশা আজিজ খান : বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডেপথ খুব ভালো। আমরা এই দিকে প্রচণ্ড লাকি। পাওয়ার এবং এনার্জি ব্যবসায় যে ইঞ্জিনিয়ার দরকার তা বাংলাদেশে খুব ভালো। আমার মনে হয় আমাদের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, পোর্ট সার্ভিসেস এবং রিভার ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং এ ল্যাকেজ আছে।পোর্ট এবং টেলিকমিউনিকেশন ব্যবসায় আমাদের ষ্কিল আরও ডেভলপড করার চিন্তা করতে হবে। বুয়েটের মতো যাতে আরও তিন চারটা ইন্সটিটিউশন হয়। বুয়েটকে যেমন একনামে সবাই চেনে এবং বুয়েটের ইঞ্জিনিয়াররা ইন্টারন্যাশনাল ষ্ট্যান্ডার্ডের। আপনি কখনো শুনবেন না যে, বিদেশে গিয়ে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ফারদার অন্য কোন কোর্স বা ডিগ্রি নিতে হয়েছে। আমাদের বড় দেশ অনেক মানুষ? অলরেডি বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান ৭/৮ থাকা উচিত ছিল এবং ১০/১৫টা পাইপ লাইনে থাকা দরকার ছিল। কিন্তু এখানে শুধু বুয়েটই রয়ে গেছে? বুয়েটের মতো আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এই দেশে দরকার।

প্রশ্ন: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে টেলিকম সেক্টরের অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে সামিট গ্রুপ। সে সম্পর্কে জানতে চাই?

আয়েশা আজিজ খান: এই ব্যবসাটা আমাদের সবচেয়ে নতুন বিজনেস। ১০ বছরের মতো এই ব্যবসা করছি আমরা। আমাদের সিইও আরিফ আল ইসলাম সাহেব তিনি প্রচণ্ড ফোকাস দিয়ে ব্যবসাটা করছেন। আমরা এখন সবচেয়ে লার্জেষ্ট ফাইবার অপটিকস নেটওয়ার্ক প্রভাইডার বাংলাদেশে। আমাদের ফোকাস থাকবে কন্টিনিউয়াসলি টু কিপ ইনভেষ্টিং যাতে পুরো নেশন ওয়াইড কাভারেজ আমরা করে ফেলতে পারছি অন টাইম যেভাবে করে গর্ভমেন্টের কাছে আমাদের কমিটমেন্ট ছিল। এই ব্যবসা নতুন কিন্তু তা আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি ফোকাসড। কারণ ৩০ বছর পরে এই ব্যবসাই সবচেয়ে ভালো করবে বাংলাদেশে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: বিনিয়োগ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

এমবাপে-ডেম্বেলের গোলে মরক্কোকে বিদায় করে সেমিতে ফ্রান্স

জুলাই ১০, ২০২৬

এমবাপের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিলেন বুনো, প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে রুখে দিল মরক্কো

জুলাই ১০, ২০২৬
কক্সবাজারে থৈ থৈ করছে বন্যার পানি।ছবি: প্রতিনিধি।

চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে বন্যার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

জুলাই ৯, ২০২৬

সাড়ে ৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন বাংলাদেশি প্রবাসী আতিক হাসান

জুলাই ৯, ২০২৬

জিম্বাবুয়েতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হেরে গেল বাংলাদেশ

জুলাই ৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop
Bkash Full screen (Desktop/Tablet) Bkash Full screen (Mobile)

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT