গত ম্যাচেই সাইথ আফ্রিকার স্টেইন-রাবাদাদের হেলায় উড়িয়ে ২৩০ রানের জয়ের লক্ষ্যে পৌছে গিয়েছিলো যেই দলটি তাদের ১৪২ রানেই আটকে ফেলার সাফল্য ধরে রাখতে পারলেন না আফগান ব্যাটসম্যানরা। ১৫ রানের পরাজয়ের ম্যাচে আফগানদের প্রাপ্তি শফিকুল্লাহ শফিকের দৃষ্টিনন্দন আগ্রাসি এক ইনিংস। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান সংগ্রহ করে আফগানরা।
তবে একতরফা ম্যাচকে ভালোই জমিয়ে তুলেছিলেন ১৬ তম ওভারের পঞ্চম বলে ব্যাট করতে নামা শফিক। চারটি চার ও দুই ছয়ে ২০ বলে ৩৫ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাটে জয়কেও অধরা মনে হচ্ছিল না। কিন্তু আরও আগে না নামার আক্ষেপটাই সঙ্গি থাকলো তার এবং দলের।
শফিকের পর সামিউল্লাহ শেনওয়ারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রানের ইনিংস খেলেন আর পরেরটি উদ্বোধন করতে নামা নুর আলি জাদরানের ১৭। পেসার ডেভিড উইলি দুইটি এবং লেগস্পিনার আদিল রশিদ দু্ইটি করে উইকেট নেন। এছাড়াও একটি করে উইকেট লাভ করেন ক্রিস জর্দান, মইন আলি এবং বেন স্টোকস।
প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামা মইন আলীর অপরাজিত ৪১ রানের সুবাদে আফগানিস্তানকে ১৪৩ রানের জয়ের লক্ষ্য দেয় ইংল্যান্ড। আমির হামজা এবং শাপুর জারদান ছাড়া আফগানদের অপর ৩ বোলারেরই ইকোনমি রেট ছিলো ছয়ের কম। কৃপণ বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ নবী এবং রশিদ খান দুইটি করে উইকেট লাভ করেন।
টসে জিতে ব্যাট করাতে নামা ইংল্যান্ড ৪২ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এর মধ্যে ৪২ রানের মধ্যেই তিন উইকেটের পতন হয়। চারজন ব্যাটসম্যানই আউট হন দুইয়ের অঙ্কে পৌছার আগে। মইন ছাড়াও জেমস ভিন্সের ২২, ডেভিড উইলের ২০ রানের ছোট ইনিংসের সৌজন্যে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।
আমির হামজা এবং সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ১ টি করে উইকেট লাভ করেন।
সাউথ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডের কাছে হেরে আসর থেকে আফগানদের বিদায় নিশ্চিত। অপরদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম ম্যাচে হারের পরও দ্বিতীয় ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে স্বপ্নের মতো এক জয় এবং আজকের জয়ের ফলে টিকে রইলো ইংল্যান্ড।






