আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর দু’দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ পেরিয়ে গেলেও এই ফরম্যাটের মেগা ইভেন্টে একবারও খেলা হয়নি মোহাম্মদ আমিরের। স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে পাঁচ বছর নিষিদ্ধ থাকায় ২০১১ এবং ২০১৫ বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি। এবার অপেক্ষার পালা শেষে স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে আমিরের। স্বপ্ন পূরণ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত আর শিহরিত এ পাকিস্তানি পেসার।
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে প্রথমে জায়গা হয়নি আমিরের। তবে ইংলিশ কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।
শনিবার বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসরে ট্রেন্ট ব্রিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। সেই ম্যাচে আমিরকে নিয়েই মাঠে নামবে সরফরাজ আহমেদের দল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের আগের দিন ট্রেন্ট ব্রিজে এক সাক্ষাৎকারে ‘রোমাঞ্চিত’ আমির বলেছেন, ‘আমার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। প্রতিটি ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। এবার আমি সেই সুযোগ পাচ্ছি।’
ইংল্যান্ড বরাবরাই আমির ও পাকিস্তানের জন্য লাকি ভেন্যু। ইংল্যান্ডের মাটিতেই ২০০৯ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জেতে এশিয়ান পরাশক্তিরা। দুটি টুর্নামেন্টে বল হাতে দ্যুতি ছড়ান আমির। এবারও যে লক্ষ্য অভিন্ন সেটি জানাতে ভুল করেননি পাকিস্তানের তারকা পেসার।
‘আমার লক্ষ্যই হল উইকেট নেয়া এবং ওয়ার্ল্ড টি-টুয়েন্টি ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার পর ইংল্যান্ডে তৃতীয়বারের মতো সেরা হওয়া।’
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন আমির। সর্বশেষ ১৪ ম্যাচে কেবল ৫ উইকেট নিয়েছেন। ইংলিশ কন্ডিশনে নিজের পুরনো ফর্মের ধারাবাহিকতা তিনি দেখাতে পারেন কি-না সেটিই এখন দেখার।







