সার্জিও রামোসের পেনাল্টি গোলে পতন থেকে রক্ষা পেয়েছে স্পেন। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার গোলেই উয়েফা ইউরো-২০২০’র গ্রুপ এফের প্রথম ম্যাচে জয় পায় লা রোজারা। নরওয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে স্প্যানিশরা জেতে ২-১ গোলে। স্পেন কষ্টে জিতলেও গ্রুপ জে’র ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে ইতালি। আজ্জুরিরা ২-০ গোলে হারায় ফিনল্যান্ডকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল স্পেনের। ১৬ মিনিটে জর্ডি আলবার ক্রস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন রদ্রিগো। তবে প্রথমার্ধে মাত্র এক গোল পেলেও অন্তত হাফডজন গোল মিস করেছে স্বাগতিকরা।
প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও গোলমুখে স্প্যানিশদের পারফরম্যান্স ছিল দৃষ্টিকটু। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১৫ মিনিটেই গোলকিপারকে একা পেয়ে বল জালে পাঠাতে পারেননি রামোস এবং মোরাতা। প্রথমার্ধে বেঁচে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে ঠিকই ভুগতে হয়েছে স্পেনকে। ৬৪ মিনিটে কর্নারের সময় জনসনকে ডি-বক্সে ফেলে দেন ইনিগো মার্টিনেজ, পেনাল্টির বাঁশি দেন রেফারি।
সুযোগটা কাজে লাগাতে ভুল করেননি জশুয়া কিং। সহজেই ডেভিড ডি গিয়াকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ান বোর্নমাউথ তারকা।
৭১ মিনিটে মোরাতাকে ডি-বক্সে ফেলে দেন নরওয়ে গোলকিপার জারস্টেইন। পেনাল্টি থেকে আবার দলকে লিড এনে দেন অধিনায়ক রামোস। শেষ পর্যন্ত নরওয়েজিয়ান কোনো রূপকথা নয়, ম্যাচ শেষ হয়েছে স্প্যানিশদের স্বস্তির জয়েই।
স্পেনের মতো অবশ্য এত কষ্ট করতে হয়নি ইতালিকে, ফিনল্যান্ডকে তারা হারিয়েছে ২-০ গোলে। নিজেদের প্রথম ম্যাচের ৭ মিনিটেই লিড নেয় রবার্তো মানচিনির দল। দুর্দান্ত শটে ‘আজ্জুরি’দের হয়ে নিজের প্রথম গোল করেন মিডফিল্ডার মার্কো বারেল্লা। পুরো ম্যাচে কিয়েলিনি-বোনুচ্চিদের তেমন পরীক্ষায়ই ফেলতে পারেনি ফিনিশরা।
ম্যাচের মিনিট পনের বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে ফেলে ইতালি। চিরো ইমোবিলের পাস থেকে ইতালির জার্সিতে প্রথমবারের মতো মূল একাদশে সুযোগ পাওয়াটা গোল দিয়ে স্মরণীয় করে রাখেন মইস কিন। ইতালির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা বনে যান জুভেন্টাসের স্ট্রাইকার।
অন্য ম্যাচে সুইজারল্যান্ড ২-০ গোলে জর্জিয়া, আয়ারল্যান্ড ১-০ গোলে জিব্রাল্টার, মাল্টা ২-১ গোলে ফারো আইল্যান্ড, সুইডেন ২-১ গোলে রুমানিয়া, একই ব্যবধানে বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা আর্মেনিয়াকে এবং গ্রিস ২-১ গোলে লিচেস্টাইনকে হারায়।







