নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন না হওয়ায় কুষ্টিয়া মেডিকেল
কলেজের শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, শিক্ষা
উপকরণ এবং পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ না থাকায় মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবনের একটি অংশে কোনো রকমে চলছে কলেজের কার্যক্রম।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বারান্দার ভেতর হার্ডবোর্ড দিয়ে একটি ক্লাসরুম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে পেছন দিকে ফ্যান নেই, ল্যাব নেই। তারা আরও জানায় সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ক্লাসরুম নেই তাদের, শিক্ষকরা যখন যেখানে বলেন সেখানেই তারা কাজ করেন।
২০১৬ শেষ হতে চললেও মাত্র ৫৪ ভাগ কাজ শেষ করতে পেরেছে কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় কুষ্টিয়া শহরের মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবনে কোনো রকমে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম চলছে। ছোট ছোট কয়েকটি সরকারি ভবন শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল হিসেবে দেওয়া হলেও সেখানে গাদাগাদি করে থাকতে হয়।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জামাল উদ্দিন মোল্লা বলেন, এ বছরের ডিসেম্বর কিংবা আগামী বছরের জানুয়ারীর মধ্যে আমরা নতুন ক্যাম্পাসে যাওয়ায় আশাবাদী। যদি সেটা না করতে পারি তবে তা কষ্টকর হবে।
নানা প্রতিকূলতায় ২০১৯ সালের আগে নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিডি ডা. আশরাফুল হক দারা বলেন, নতুন ক্যাম্পাসের জন্য আরো সময় বৃদ্ধি করতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাসে মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরুর দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
২০১১ সালে মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট টেনিং ইনস্টিটিউট ভবনে অস্থায়ী ভাবে যাত্রা শুরু করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ।
২০১৩ সালে শহরের লাহেনী এলাকায় ২০ একর জায়গার ওপর ২শ’৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাসে কলেজের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ছাড়াই ৫টি ব্যাচের আড়াইশ’ শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।








