এখন চলছে ধান কাটার মৌসুম। বোরে ধানের ম-ম গন্ধে মাতোয়ারা গ্রাম-বাংলার সবুজ প্রান্তর। এরই মধ্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কিষান-কিষানিরা। নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দ এখন গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে। তবে কৃষক পরিবারের এই কর্মযজ্ঞের আড়ালে আছে নিদারুণ এক চিত্র।
সিলেট, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নরসিংদীসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের স্কুলগুলোতে এখন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ১০ শতাংশেরও কম।
কৃষক এবং শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ধান কাটার জন্য এখন আর আগের মতো শ্রমিক পাওয়া যায় না। একজন শ্রমিককে প্রতিদিন মজুরি দিতে হয় ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা। যা বেশিরভাগ বর্গা চাষীর পক্ষেই দেওয়া সম্ভব নয়। তাই স্কুলে না গিয়ে ধান কাটায় ব্যস্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বহু শিক্ষার্থী।
ছাত্ররা কাজ করছে মাঠে, আর ছাত্রীরা ঘরে। ধান সিদ্ধ, শুকানো থেকে শুরু করে অন্যান্য কাজ করছে নারী শিক্ষার্থীরা। ময়মনসিংহের বিভিন্ন ঘুরে নরমহাতে শক্ত কাজের সেইসব চিত্র তুলে এনেছেন সাংবাদিক মোস্তফা মল্লিক।

তপ্ত দুপুরে মাঠে কাজ করছে এক শিক্ষার্থী।

ধান কাটার কাজে ব্যস্ত কিশোর।

বড়দের সঙ্গে ধান কাটায় ব্যস্ত শিক্ষার্থী।

মাঠে যেমন ছাত্ররা কাজ করছে, তেমন উঠানে কাজ করছে ছাত্রীরা।

বাদ যাচ্ছে না শিশুরাও।

শিক্ষার্থী শূন্য খাঁ খাঁ স্কুল ঘর।

মাঠের কোনো কাজেই বাদ নেই শিক্ষার্থীরা।

কাজে নিমগ্ন আরেক শিক্ষার্থী।







