সিলেট থেকে: সাফে ভুটান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ে জেগে ওঠা গণজোয়ারটা এক নিমিষেই থেমে গিয়েছিল গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের এক শিশুতোষ ভুলে। নেপালের বিপক্ষে ৩২ মিনিটের সেই ভুলে ম্যাচ থেকেই ছিটকে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সঙ্গে সাফ থেকেও। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপে সোহেলের জায়গায় লাল-সবুজদের গোলবার সামলানো দায়িত্ব বর্তেছে আশরাফুল ইসলাম রানার উপর। এ গোলরক্ষক জানালেন, বড় রকমের কোনো ভুল করে দেশকে খালি হাতে ফেরাতে চান না।
‘গোলরক্ষকের ভুল খেলারই অংশ। সোহেল যেটা করেছিল সেটা খেলারই অংশ। আমি আমার দিক থেকে সেরকম কোনো ভুল করতে চাই না।’ বুধবার সংবাদ মাধ্যমকে নিজের লক্ষ্যটা এভাবেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন রানা।
এশিয়ান গেমসে দারুণ পারফরম্যান্স করেও সাফে ডাগআউটে স্থান হয়েছিল রানার। সেখানে বসেই দেখেছেন সতীর্থের এক ভুল দলকে কীভাবে ডুবিয়েছে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স আর সোহেলের বাতাসে ভাসা বলে দূর্বলতা মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে একাদশে জায়গা পাওয়াটা নিশ্চিতই ছিল রানার।
প্রত্যাশার এমন ভার নিয়ে দলে ফেরাটা আবার চাপ হয়ে যাচ্ছে না তো? বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য রানা হাসিমুখে জানালেন, ‘আমার উপরে শুরু থেকেই সেরকম চাপ ছিল না। আর আমি নিজেও চাপ নেই না। আমি আসলে চ্যালেঞ্জ বা চাপ কোনটাই নেই না।’
বাড়তি কোনো চ্যালেঞ্জ না নিতে চাইলেও নিজের দায়িত্বটা যে বিশাল সেটি মানছেন রানাও। ছোট দলগুলোর মূল ভরসার হয়ে থাকেন গোলরক্ষক আর রক্ষণভাগ। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ওয়ালি ফয়সাল দলে থাকায় নিজের কাজে মনোযোগটা ভালই দিতে পারবেন বলেও বিশ্বাস তার। লাওস ম্যাচের মতো শুক্রবার ফিলিপিন্সের বিপক্ষেও নিজেদের জালটা অক্ষত রাখতে চান রানা।
‘লাওসের বিপক্ষে আমাদের দুটো প্রধান লক্ষ্য ছিল- গোল না খাওয়া, আর ছোট ছোট সুযোগ কাজে লাগানো। ৯০ মিনিটে অনেক সুযোগ আসবে। গোল না খেলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়। আমার ছোট ছোট ভুল ছিল ম্যাচে। সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ছোট দলে রক্ষণ আর গোলরক্ষক ভালো হলে বাকিদের কাজটা সহজ হয়ে যায়।’







