আন্তর্জাতিক

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার ইতিবাচক: সু চি

মিয়ানমার সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একজন নারী ও একজন যুবক. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিয়ানমার সেনা কর্মকর্তারা একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের মধ্যে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

মুসলিম রোহিঙ্গা হত্যার পিছনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গ্রামবাসী জড়িত স্বীকার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তদন্তের আশ্বাসকে ইতিবাচক বলেছেন অং সান সু চি। শুক্রবার জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় মিয়ানমারের নেত্রী সুচি এ কথা বলেন।

মিয়ামিহেরাল্ড জানায়, গত ডিসেম্বর একটি গণকবরে ১০ জন মুসলিম রোহিঙ্গার মরদেহ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গ্রামবাসী জড়িত এবং ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দেয় সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনী আরো জানায়, নিহতরা ‘সন্ত্রাসী’। তারা গ্রামবাসীকে হুমকি দিয়ে আসছিল। তবে আমরা তদন্ত করে দেখবো কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

সেনাবাহিনীর এই স্বীকারোক্তিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে সু চি বলেছেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিয়েছি। হয়তো এর জন্য কেউ কেউ অখুশি হবে। তবে আমি বিশ্বাস করি, এই পদক্ষেপ আমাদের এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি থেকে বিরত রাখবে।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইনে অসংখ্য যেসব গণকবর পাওয়া গেছে, সেসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কি ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে সু চি বা সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সে সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি।

গত আগস্টে সেনা অভিযানের পর থেকে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ লোক বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। রোহিঙ্গারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাস করে আসলেও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার তাদের স্বীকার করে না। তারা বলে থাকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি অভিবাসী।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। খুন, ধর্ষণ, রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদর বিরুদ্ধে। এসব কারণে সেনাবাহিনীকে বিশ্ববাসীর কাছে সমালোচিতও হতে হয়েছে তাদের।

বিষয়:অংসান সু চি রোহিঙ্গা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…