নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে
কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে জড়িয়ে
অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে প্রকৃত সত্য উম্মোচনের দাবি জানিয়েছে ৮টি জাতীয় ও
৩৫টি স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বুধবার সেলিমের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন
করে ওই ৪৩টি সংগঠনের নেতারা সত্য উম্মোচনের দাবি জানান।
তাদের দাবি, ওই দিনের ঘটনার খণ্ডিত অংশ প্রচার করা হচ্ছে। ফলে সেলিম ওসমানের ভূমিকা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির দায়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজেই স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারের বলি হয়েছেন।
তারা আরো দাবি করেন, জড়ো হওয়া কয়েক হাজার লোক এতো উত্তেজিত ছিল যে, সেখানে কোন মসজিদে জুম্মার নামাজ হয়নি। তারা ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করছিল। প্রকৃত সত্য উম্মোচিত হলে বিভ্রান্তি দূর হবে।
বুধবার দুপুরে শহরের নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহসভাপতি মঞ্জুরুল হক। ৪৩ সংগঠনের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, দুপুরে শহরের বালুর মাঠ এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গণসংহতি আন্দোলন সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি লাঞ্ছিত প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও সেলিম ওসমান এমপি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।







