শিশুটির মা-বাবা আসার পর জানা গেলো গুলজান বেগম পাচারকারী ছিলেন না। তাকে মা-বাবাই দিয়েছিলেন, মাঝখানে কয়েক ঘণ্টা হাজতবাস করে শিশুটিকে নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন গুলজান বেগম।
এর আগে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর ১৪ নম্বর বস্তি এলাকা থেকে পাচারকারী সন্দেহে শিশুসহ এক নারীকে আটক করে পল্টন থানা পুলিশ। উদ্ধার করা শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগে রাখা হয়।
যাত্রাবাড়ী ধলপুরের আলতাফ রেস্তোরায় কাজ করেন গুলজান বেগম। গ্রেফতারের পর তিনি দাবি করেছিলেন, সহকর্মী আখতারের কাছ থেকে একদিনের নবজাতক শিশুকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ফরিদপুর। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় গাড়ির যাত্রীরা পল্টনমোড়ে শিশুসহ মহিলাকে পুলিশের কাছে তুলে দেয়। পরে তাদের নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটি সুস্থ নিশ্চিত হলেও পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ বলে ছিল, ডিএনএ টেস্টে শিশুটি গুলজানের সহকর্মী আখতারের বাচ্চা নিশ্চিত হলে তবেই তাকে বাচ্চাটিকে দেয়া হবে।
আখতারের কাছ থেকে গুলজান বেগম ২০ হাজার টাকায় শিশুটিকে কিনেছেন বলে স্বীকার করেছেন। শিশুটিকে গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দায় তার নিঃসন্তান ভাই ওয়াদুদ’র জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
সর্বশেষ সন্ধ্যার দিকে আখকার দম্পতি হাসপাতালে এলে বিষয়টির সুরাহা হয়। গুলজানের হাতেই তুলে দেওয়া হয় একদিনের শিশুটিকে।







