ওয়ার্ল্ড হকি লিগে নিজেদের দ্বিতীয় খেলায় দুর্বল ফিজিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে জয়ের ব্যবধানটা আরো বড় হতো স্বাগতিকদের। দুর্দান্ত জয়ে ২টি করে গোল করেছেন অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি এবং মামুনুর রহমান চয়ন। অন্য গোলটি নাঈম উদ্দিনের।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। ৫ মিনিটের মাথায় স্বাগতিকদের পেনাল্টি কর্নার দারুণভাবে ফিরিয়ে দেন ফিজি গোলরক্ষক রিচার্ড আইরি। মূলত রিচার্ডের নৈপুণ্যে বারবার ফিজির জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিকরা।
অবশ্য এদিন পেনাল্টি কর্নার মিসের মহড়াও দিয়েছেন চয়নরা। ১৩টি পেনাল্টি পেলেও সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করতে পেরেছেন মাত্র ২টিতে। প্রথমার্ধের বিরতির ২ মিনিট আগে সপ্তম পেনাল্টি কর্নার থেকে বাংলাদেশ প্রথম গোলের স্বাদ পায়। গোলটি ‘পেনাল্টি কর্নার স্পেশালিষ্ট’ চয়নের।
মধ্যবিরতি থেকে ফিরেই সমতা টেনেছে ফিজি। ম্যাচের ৩২ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে লিভান দত্ত বাংলাদেশের জালে বল জড়িয়ে দেন।

গোল খেয়েই যেনো হুঁশ ফেরে স্বাগতিকদের। ম্যাচের ৩৭ এবং ৪১ মিনিটে অধিনায়ক জিমির জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানের লিড নিয়ে স্বস্তিতে ফেরে বাংলাদেশ। ৫০ মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন চয়ন। খেলা শেষের দুই মিনিট আগে ফিজির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন নাঈম উদ্দিন।
রোববারের জয়ের ব্যবধান হতে পারতো আরো বড়। ১১টি পেনাল্টি কর্নার সুযোগ হাতছাড়া করাটা ছিল সামর্থ্যের বিপরীতে দৃষ্টিকটু। খেলা শেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে হয়েছে অধিনায়ক জিমিকেও, ‘গোল করার অনেক সুযোগ আমাদের ছিল। আমরা মিস করেছি। যদি ওই সুযোগগুলো গোলে পরিণত করতে পারতাম, তাহলে অনেক ব্যবধানে জিততাম। আগামীকাল(সোমবার) আমাদের বিরতি আছে। ভুলগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবো।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু। তবে ফিজির ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন জিমিরা। বাড়িয়ে নিচ্ছেন আত্মবিশ্বাসের পারদও। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী’র তকমা পাওয়া ওমান। সেখানে দারুণ কিছু করে দেখাতে চায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ছবি: ওবায়দুল হক তুহিন







