শিশু সুমাইয়াকে অপহরণের দায়ে রিমান্ডে থাকা বৃষ্টি ও তার বাবা সিরাজ এখনো মুখ খোলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা বলছেন, উল্টো পুলিশকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে শিশু সুমাইয়ার অপহরণকারীরা।
কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন ফকির চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, রিমান্ডে ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে চাচ্ছে বৃষ্টি ও তার বাবা। এখন পর্যন্ত তারা মুখ খোলেনি। কিন্তু পুলিশের বহুমাত্রিক বিশ্লেষণে তারা চাপের মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বৃষ্টি নাকি কাপড়ের ব্যবসা করত, কয়েকবার ভারতেও গিয়েছে। কিন্তু এখনো পাসপোর্ট দেখাতে পারেনি। যাদের সঙ্গে কাপড়ের ব্যবসা করত ওইসব এলাকায় পুলিশ খোঁজ নিয়ে জেনেছে বৃষ্টির দেয়া তথ্য ভুয়া।
বৃষ্টির সঙ্গে শিশু পাচারকারীদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না জানতে চাইলে কামরাঙ্গীচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ এসব তথ্য জানতেই রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তারা সঠিক তথ্য বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। রোববার দুপুরে সুমাইয়ার বাবা জাকির হোসেন বলেন, সুমাইয়ার শরীরে জ্বর রয়েছে। কিছু খেতে পারছে না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান প্রফেসর সায়েদা আনোয়ার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, সুমাইয়াকে রুটিন চেকআপ করনো হয়েছে। সার্বিক দিক দিয়ে ও ভালো রয়েছে। গায়ে জ্বর থাকলেও কোনো মানসিক ট্রমা সুমাইয়ার মধ্যে নেই।
গত ২ এপ্রিল কামরাঙ্গীরচরের বড়গ্রামের জাকির হোসেন ও মুনিয়া বেগমের একমাত্র সন্তান সুমাইয়া বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। ওই ঘটনায় কামরাঙ্গীর চর থানায় সুমাইয়ার বাবা একটি জিডি করেন এবং পরে অপহরণের মামলা করেন।
পরে গত বৃহস্পতিবার সকালে কদমতলী এলাকার একটা ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়াকে উদ্ধার করে পুলিশ।







