নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নারী নির্যাতনের ঘটনায় হুকুমদাতা রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তবে নারী নির্যাতনের ঘটনায়ে ৯ জন আসামি করে যে মামলা করা হয় সেখানে রুহুল আমিনের নাম নেই।
জেলা পুলিশ সুপার মো: ইলিয়াছ শরীফ জানান, বুধবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে এই ঘটনার হুকুমদাতা চরজুবলির ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়াও মামলার এজাহারভুক্ত আরেক আসামি বেচুকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাদের মধ্যে রয়েছে; রুহুল আমিন, সোহেল, স্বপন, বাসু ও বেচু।
গত বুধবার দুপুরে কুমিল্লার বরুরা উপজেলার মহেষপুরের একটি ইটভাটা থেকে মামলার প্রধান আসামি সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা থেকে মামলার তিন নম্বর আসামি স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার মামলার ছয় নম্বর আসামি বাসুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ সময় সময় আইন ও সালিস কেন্দ্রের তিন সদস্যে অন্য একটি তদন্ত দল হাসপাতালে এবং ঘটনাস্থলে যায়। রাতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ঘটনাস্থল পরিদর্শে আসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গত রোববার রাতে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের সোহেল, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী, বেচু, বাসু, আবুল, মোশারেফ ও ছালাউদ্দিন ৪০ বছর বয়সী এক নারীর বসত ঘর ভাঙচুর করে।
এক পর্যায়ে তারা ওই নারীর স্বামী ও মেয়েকে বেঁধে রেখে তাকে ঘরের বাইরে নিয়ে গণধর্ষণ করে।
পরদিন ওই নারী ও তাঁর স্বামীকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী ৯ জনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।








