সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে রোববার দুপুরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র এই আইনজীবীর জানাজায় প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, মইনুল হোসেনের সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদক সহ আইনজীবী ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুতে তার সম্মানে রোববার দ্বিতীয়ার্ধে বসেনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ।
এর আগে রোববার সকালে রাজধানীর বারিধারা জামে মসজিদে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনের দ্বিতীয় জানাজার পর দৈনিক ইত্তেফাক ভবনের সামনে তৃতীয় জানাজার নামাজ শেষে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, বিশিষ্ট সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছেলে ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন শনিবার ৯ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
সাংবাদিকতা ও আইন পেশার পাশাপাশি মইনুল হোসেন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রথম জাতীয় সংসদে বরিশালের ভান্ডারিয়া-কাউখালী আসন থেকে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের প্রতিবাদে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০৭ সালে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, তথ্য, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।
মইনুল হোসেন ঢাকার নবাবপুর সরকারি স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৬১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ‘মিডল টেম্পল ইন’ এ আইন বিষয়ক পড়াশোনা করেন। ১৯৬৫ সালে ব্যারিস্টার-ইন-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বারে যোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৬৫ সালে তিনি আইনপেশা শুরু করেন। ২০০০-২০০১ মেয়াদে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন।








