রাষ্ট্রপতির সাথে আলোচনাক্রমে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের অধিবেশন (বিচারিক কার্যক্রম) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছেন।
গত ৪ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: ‘উপর্যুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগসহ দেশের সকল অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে প্রধান বিচারপতি জরুরী বিষয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’
এরপর ৫ আগস্ট রাতে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা এক বার্তায় জানান, মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক নিয়মে দেশের অধস্তন (নিম্ন) আদালতের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান থাকবে। বুধবার হতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ৬ আগস্ট আরেক বার্তায় জানানো হয় যে, ৭ ও ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে তবে সীমিত পরিসরে অফিস খোলা থাকবে।
একপর্যায়ে ৭ আগস্ট দুপুরে জানানো হয় যে, ৮ আগস্ট হতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম সীমিত আকারে সরাসরি অথবা ভার্চুয়ালি মাধ্যমে (সুবিধাজনক উপায়ে) চলবে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে আপীল বিভাগের বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলাম ৮ আগস্ট হতে সরাসরি অথবা ভার্চুয়াল মাধ্যমে (সুবিধাজনক উপায়ে) চেম্বার জজ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
তবে ৭ আগস্ট রাতে দেয়া সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, ‘রাষ্ট্রপতির সাথে আলোচনাক্রমে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের অধিবেশন (বিচার কার্যক্রম) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছেন।’








