রাজধানীর সুন্দরবন হোটেলের পাশের নির্মাণাধীন ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ার একদিন পর বৃহস্পতিবার রাতে অারেকটি অংশ ধসে পড়েছে।
রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ভবনটির উত্তর-পূর্ব দিকের পাইলিং-এর একটি অংশ ধসে পড়ে। এরপর নিরাপত্তার জন্য ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার সকালে ধসে পড়া সড়কের অংশের পাশে নতুন করে পিলার ধসে পড়ে। প্রচন্ড শব্দে পিলার ধসে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ঘটনাস্থলে থাকা সাধারণ মানুষের মধ্যে।
নতুন করে ধসের পর ঘটনাস্থলে আসেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র অনিসুল হক। তিনি বলেন, ভবনের আশেপাশের এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত কোনো সমস্যা নেই। বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি দেখে পরামর্শ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ফখরুল আমিনের পরামর্শ অনুযায়ী বালু দিয়ে ভরাটের কাজ চলছে।
বুধবার সকালে সুন্দরবন আবাসিক হোটেলের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবন ধসে পড়লে আবাসিক হোটেলসহ রাস্তার ক্ষতি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হোটেলের সব লোকজনকে সরিয়ে নেয়।







