সুন্দরবন রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ছে। ২০১৭ সালে এ বাহিনীর মংলা পশ্চিম জোন সুন্দরবনে কাঠ, হরিণের চামড়া ও বিরল প্রজাতির তক্ষকসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পাচার প্রতিরোধে তৎপরতাও বাড়িয়েছে। সাফল্য এসেছে আগের বছরেরও চেয়ে অনেক বেশি।
সুন্দরবন সংলগ্ন বসতি নলিয়ান। শিবসা নদীর তীরে ডোবায় লুকিয়ে রাখা সুন্দরী কাঠ উদ্ধারে অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। ডোবা থেকে তোলা হয় একের পর এক সুন্দরী কাঠ।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন ২০১৭ সালে এ পর্যন্ত সুন্দরবন থেকে প্রায় আট হাজার সিএফটি কাঠ, ছয় হাজার কেজিরও বেশি কাঁকড়া, হরিণের মাংস ৬ মন, চামড়া ১০টি ও মাথা ৩টি, ৪টি জীবিত হরিণ এবং বিরল প্রজাতির ৯টি তক্ষক উদ্ধার করেছে।
পাচারকালে ২৫ জনকে আটক করা হয়। অভিযানের কারণে সুন্দরবনে চোরাচালান ও পাচার কমে আসছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সব মিলিয়ে কোস্ট গার্ড এ বছরে ৩ হাজার ৮২ কোটি টাকারও বেশি দামের মালামাল উদ্ধার করেছে। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর কারণেই সাফল্য আসছে বলে মনে করেন কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা।
সুন্দরবন রক্ষার এ তৎপরতা আরো জোরদার হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গার্ডিয়ান অ্যাট সি, এটিই স্লোগান কোস্ট গার্ডের। কিন্তু সুন্দরবন এলাকায় নদী ও বনভূমিতেও সরব এ বাহিনী। বনদস্যু নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এ বাহিনী সুন্দরবনে কাঠ পাচার-বন্যপ্রানী পাচার প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। একই সঙ্গে কাজ করছে সরকারের অন্য বাহিনীগুলোও। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা চান সবগুলো বাহিনীর সমন্বিত ও জোরালো উদ্যোগ, যাতে রক্ষা পাবে সুন্দরবন।
এক নজরে সুন্দরবনে ২০১৭ সালে কোস্ট গার্ডের অভিযান:
কাঠ উদ্ধার ৭,৯৬৩ ঘণফুট
কাঁকড়া উদ্ধার ৬,৩৪০ কেজি
হরিণের মাংস উদ্ধার ২৩৮.৫ কেজি
হরিণের চামড়া উদ্ধার ১০টি
হরিণের মাথা উদ্ধার ৩টি
জীবিত হরিণ উদ্ধার ৪টি
তক্ষক উদ্ধার ৯টি
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:







