চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে নৌ চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, শ্যালার নদীর বিকল্প রুট হিসেবে মংলা ঘোষীয়াখালি চ্যানেল ৬ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে খুলে দেয়া হয়েছে।
এই পর্যন্ত মংলা ঘোষীয়াখালি নৌ পথে ১৩ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। এখনও খনন কাজ চলছে। পুরো কাজ শেষ হলে শ্যালা নদীতে নৌ চলাচল বন্ধ করা হবে।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, মংলা ঘোষীয়াখালি চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেজিং সম্পন্ন হলে অব্যাহতভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং চালিয়ে যাওয়া হবে। চ্যানেল সংলগ্ন চিংড়ি ঘেরগুলোর মুখ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকার। এছাড়াও মংলা ঘোষীয়াখালি চ্যানেলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত ৩২টি খাল খনন করা হবে বলে জানান নৌ পরিবহন মন্ত্রী।
২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ‘ওটি সাউদার্ন স্টার ৭’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার দূর্ঘটনায় ৩লাখ ৫৭ হাজার ৬’শ ৬৪ লিটার ফার্নেল তেল ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে প্রায় ৭০কিলোমিটার পর্যন্ত তেল ছড়িয়ে পড়েছিল।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র। বিপন্ন হয়ে পড়েছে মনোগ্রাভ বনাঞ্চলের ইরাবতী ডলফিন অধ্যুষিত এলাকার ডলফিনগুলো। দূর্ঘটনার পর থেকে করমজল,কটকা, হিরণপয়েন্ট, কচীখালি, টাইগারপয়েন্ট সহ বদলে গেছে পর্যটক এলাকাগুলোর চিত্র।
সম্প্রতি পটাশ সারবাহী আরেকটি জাহাজ সুন্দরবনের পাশে ডুবে গেলে সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে।







