রাজধানীর হাজারীবাগের গণকটুলি এলাকায় সুইপার কলোনিতে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে চোলাই মদের কারখানার সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সদস্যরা।
প্রায় তিনঘণ্টা ধরে চালনো এ অভিযানে মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
রোববার সকাল ১১টার পর থেকে এলাকার চারপাশ থেকে ঘিরে প্রায় ৭শ’ পুলিশ সদস্য অভিযানে অংশ নেয়। রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদারের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়।
সকাল ১১ টার দিকে সাজোয়া যান, জল কামান, প্রিজনভ্যান, এ্যাম্বুলেন্সসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যরা ওই এলাকা চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। তারপর ভেতরে ঢুকে চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
অভিযান শেষে ডিএমপি’র রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, এখানে চোলাই মদের একটি কারখানা পাওয়া গেছে, প্রায় ১৫শ’ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৩শ’ পিস ইয়াবাসহ কিছু পরিমান গাঁজা ও ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক বিক্রয় ও সেবনের দায়ে ৫ নারীসহ শতাধিক বাসিন্দাকে আটক করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর যাদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।
ডিসি মারুফ হোসেন বলেন, দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা ধরে তাদের গ্রেফতারে এই অভিযান চালানো হয়। গণকটুলী এলাকার সুইপার কলোনিতে নিয়মিত মাদক ব্যবসা ও বিক্রি হয় এমন তথ্যে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) আব্দুল্লাহিল কাফি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, অনেকেই বাইরে তালা লাগিয়ে ঘরের ভেতরে অবস্থান করছিল, পরে তালা ভেঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ভেতরে ঢুকে তাদেরকে আটক করে।
অভিযানে কোন ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন: ছোট একটি জায়গায় বিপুল পরিমাণ মানুষের বসবাস। তাই এখানে অভিযানের আগে বিভিন্ন বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ছিল।
অভিযানে রমনা পুলিশের সঙ্গে ডিবি, ডগ স্কোয়াড, সোয়াটের সদস্যরা অংশ নিয়েছে।








