সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দুটি উপজেলায় নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা ও বিশ্বনাথ উপজেলায়ও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এসব উপজেলার ১৬১টি স্কুলে ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্যে টানা বৃষ্টির কারণে বরাক নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় বরাকের শাখা নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর ফলে সিলেটের নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে বন্যার পানিতে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। পানির নীচে তলিয়ে গেছে অনেক ঘর-বাড়ি, রাস্তা ঘাট ও ফসলী জমি।
তবে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, উজান থেকে পাহাড়ী ঢল আর না নামলে এবং বৃষ্টিপাত কম হলে পানি কমতে শুরু করবে। এর ফলে বন্যা পরিস্থিতিরও উন্নতি ঘটবে।
তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত বন্যা দুর্গত এলাকায় ১২৭ মেট্রিক টন চাল ও নগদ দুই লাখ ৭৭ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।







