দর্শক থেকে ক্রিকেটার, সিলেটের সবুজে ঢাকা মাঠ ও চারপাশের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য মুগ্ধ করেছে সকলকেই। সঙ্গে গ্যালারি উপচে পড়া ক্রিকেটপিপাসু। মুগ্ধতা লুকাননি নাজমুল হাসান পাপনও। ভবিষ্যতে বিপিএলের আরও ম্যাচ আয়োজনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন বিসিবি সভাপতি। আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কথায় আরেকধাপ বেড়ে যেতে পারে সিলেটবাসীর স্বপ্ন। শহরটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য হাহাকার করতে থাকা সিলেটবাসীর উপহার হয়ে এসেছে বিপিএল সিজন-৫। উদ্বোধনীসহ চারদিনে মোট আটটি ম্যাচ উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন সিলেটবাসী।
ক্রিকেটের প্রতি নিজেদের ভালোবাসা বোঝাতে কোন আলসেমি করেনি সিলেটের ক্রিড়াপ্রেমীরা। মাঠে দল বেঁধে এসেছে খেলা দেখতে। ম্যাচের টিকিট কিনতে এসে মাথা ফাটানোর ঘটনাও ঘটেছে।
ক্রিকেটপিপাসুদের এমন আগ্রহে ভীষণ আশাবাদী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বিপিএলের পর বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলঙ্কা। এরপর জিম্বাবুয়ে। সেই সিরিজগুলোর ম্যাচ সিলেটে আনতে চান অর্থমন্ত্রী, ‘এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতেই হবে। এবং অচিরেই হবে। পরবর্তী শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ এখানে হবে। এমন আশা করতেই পারি। স্টেডিয়ামের জায়গাও বাড়ানো হচ্ছে। এটা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি মাঠ। ক্রিকেট মাঠ হিসেবে সবচেয়ে ভাল। ম্যাচ এখানে হতেই হবে।’
২০১৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নারী ও পুরুষদের মিলিয়ে মোট ছয়টি ম্যাচ হয়েছে চা বাগান ও পাহাড় ঘেরা সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটিতে। পরে আন্তর্জাতিক ম্যাচ গড়ায়নি আর।








