সিরিয়ার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশের খান শেইখুন শহরে ‘রাসায়নিক হামলায়’ কমপক্ষে ৫৮ জন নিহত হয়েছে। এ হামলায় বাশার আল-আসাদ সরকার জড়িত বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউমান রাইটস এর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সিরিয়ার সরকার বা রাশিয়ার বিমান বাহিনী এ হামলা চালায়। এতে বহু মানুষ শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়ে। স্থানীয় ক্লিনিকে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। পরে সেখানেও বিমান থেকে রকেট হামলা চালানো হয় বলে চিকিৎসক ও কর্মীরা জানান।
যদিও সিরিয়ার সেনাবাহিনী রাসায়নিক হামলার কথা অস্বীকার করে আসছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে আসাদ সরকারের ‘হায়েনার কার্যক্রম’ বলে বিবৃতি দিয়েছেন।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার সকালে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শেইখুন শহরের ঘুমন্ত মানুষের ওপর বিমান হামলা চালানো হয়।
হুসেইন কায়াল নামে একজন ফটোগ্রাফার জানান, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বিস্ফোরণের শব্দে তার ঘুম ভাঙ্গে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান সেখানে কোনো গন্ধ নেই। লোকজন মেঝেতে পড়ে আছে, নড়াচড়া করতে পারছে না।
একটি দাতব্য অ্যাম্বুলেন্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান মোহাম্মদ রসুল জানান, তার চিকিৎসকরা লোকজনকে পেয়েছেন তাদের অনেকই শিশু, যারা শ্বাসরুদ্ধ হয়ে কাতরাচ্ছিল। এ হামলায় কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউমান রাইটস সেবাদানকারী চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানায়, আহতদের অনেকেই জ্ঞান হারাচ্ছিল। অনেকেই বমি করছিল এবং কারো কারো মুখে ফেনা লেগেছিল। তবে হামলায় কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে তা তারা জানাতে পারেনি।







